উত্তরাখণ্ডে তৈরি হওয়া হিমবাহ হ্রদের গভীরতা পরিমাপ করতে ভারতীয় নৌ ও বিমান বাহিনী যৌথ অভিযান চালায়।শনিবার অর্থাৎ ২০ ফেব্রুয়ারি  উত্তরাখণ্ডের তপোবন এলাকা থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে ঋষিগঙ্গা নদীর ওপর তৈরি হয়েছে নতুন হ্রদটি। আর সেটি খতিয়ে দেখতে ভারতীয় সেনা বাহিনার অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার নিয়ে পাড়ি দেয় বিমান ও নৌ  বিহানীর জওয়ানরা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪ হাজার ফুট উঁচুতে তৈরি হয়েছে এই হ্রদটি।  

পিটিআই সূত্রে খবর নৌবাহিনীর জানিয়েছে কোনও ওই নতুন হ্রদটি যাওযার কোনও রাস্তা না থাকায় ভারতীয় বিমান বাহিনীর সহায্য নেওয়া হয়েছিল। বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারেই তাঁরা সংশ্লিষ্ট স্থানে গিয়েছিলেন। তথ্যগুলি বিজ্ঞানীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। মূলকে তৈরি হওয়ার হ্রদটির চার ধারের মাটির কতটা জলের চাপ নির্ধারণ করতে পারে তাও খতিয়ে দেখা হবে। নৌ বাহিনীর ডুবুরিরা হিমশীতল জলের হ্যান্ডগেন্ড ইকো সাউন্ডার বা গভীরতা পরিমাপের যন্ত্র দিয়ে  হ্রদের গভীরতা মেপেছেন। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ এই কাজে রীতিমত সাহায্য করেছে বিমান বাহিনীর সদস্যরা। এই এলাকায় দিন কয়েক আগেই পৌঁছেছিল ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। পরীক্ষা চালানোর জন্য তাঁরা হ্রদ সংলগ্ন একটি এলাকায় বেশ ক্যাম্পও তৈরি করেছে। একই সঙ্গে তৈরি হয়েছে একটি হেলিপ্যাডও। 

যাদবপুরে BJP-TMC র সামনে কি দাঁড়াতে পারবে বামেরা, রাজ্যের ভোট মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ...

রাগ করে ইস্তফা দিলেন বিধায়ক, আস্থা ভোটের আগের দিন আরও কোনঠাসা অবস্থা কংগ্রেসের ...

সপ্তাহ দুয়েক আগে হিমবাহ বিস্ফোরণের তুষার ধস আর প্রবল জলোচ্ছ্বাসে প্রায় বিপর্যস্ত হয়ে যায় উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায়। এনটিপিসির প্রকল্প প্রায় ধুয়ে মুছে সাফ করে দিয়ে যায়। এখনও ১৩৯ জন নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা জানিয়েছেন তপোবন এলাকা থেকে এখনও উদ্ধার হচ্ছে মৃত দেহ।  আজও তিনটি দেহ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।