সোমবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ আরজি কর হাসপাতালে খুন ও ধর্ষণ মামলার শুনানির সময় বলে যে সিসিটিভি প্রতিস্থাপন, টয়লেট এবং পৃথক বিশ্রাম কক্ষ নির্মাণে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অগ্রগতি করেছে।

আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ-খুন মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে যাবতীয় কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সোমবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ আরজি কর হাসপাতালে খুন ও ধর্ষণ মামলার শুনানির সময় বলে যে সিসিটিভি প্রতিস্থাপন, টয়লেট এবং পৃথক বিশ্রাম কক্ষ নির্মাণে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অগ্রগতি করেছে। সর্বোচ্চ আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে এই সব কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

উপরন্তু, আদালত ইলেকট্রনিক্স এবং আইটি মন্ত্রককে মিডিয়ায় নির্যাতিতার ছবির যে কোনও অননুমোদিত ব্যবহারের বিষয়ে একজন নোডাল অফিসারকে অবহিত করার নির্দেশ দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট তার পূর্ববর্তী আদেশটি নতুন করে প্রকাশ করে বলেছে যে আরজি কর হাসপাতালের মামলায় কোনও মধ্যস্থতাকারীকে নির্যাতিতার নাম এবং ছবি প্রকাশ করার অনুমতি নেই।

এদিন আরজি কর হাসপাতালের মহিলা ডাক্তার ধর্ষণ ও খুনের মামলা সংক্রান্ত পিটিশনের উপর সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হয়। সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় যুক্তি রাখা হয় যে নির্যাতিতার নাম এবং ছবি প্রকাশ করে অসংখ্য সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট রয়েছে। এই বিষয়ে, সুপ্রিম কোর্ট তার আদেশ নতুন করে বহাল করে ও জানায়, আরজি কর হাসপাতালের মামলার কোনও তথ্য প্রকাশের সময় নির্যাতিতার নাম এবং ছবি প্রকাশ করার অনুমতি দেওয়া হবে না।

শীর্ষ আদালত এর আগে ডাক্তার এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি প্রোটোকল প্রণয়নের জন্য একটি ১০ ​সদস্যের জাতীয় টাস্ক ফোর্স (NTF) গঠন করেছিল।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।