সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে ত্রিপুরার নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২৩ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে ৪.৩০ মিনিটে প্রচার শেষ হয়েছে। আগামী ২৫ নভেম্বর ভোট গ্রহণ করা হবে। 

ত্রিপুরার হিংসা (Tripura Violence) নিয়ে শুনানিতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত পুরসভা নির্বাচন স্থতিগত করার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) একটি আবেদনের শুনানি চলছিল। সেখানে দাবি করা হয়েছিল পুরসভা নির্বাচনের (Tripura civic election)আগে ত্রিপুরার আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এই অবস্থায় ভোট পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিল তৃণমূল। সেই আবেদনই খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি বিক্রমনাথের দুই সদস্যের বেঞ্চ। পাশাপাশি ত্রিপুরায় সুরক্ষা বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে ত্রিপুরার নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২৩ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে ৪.৩০ মিনিটে প্রচার শেষ হয়েছে। আগামী ২৫ নভেম্বর ভোট গ্রহণ করা হবে। আগামী ২৮ নভেম্বর ভোট গণনা হবে। এই অবস্থায় নির্বাচন স্থগিত করতে চায় না সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানিয়েছেন নির্বাচন স্থগিত রাখা একটি শেষ ও চরমতম বিষয়। এটা যদি করা হয় তাহলে একটি ভুল বার্তা যাবে। একটি ভুল নজির স্থাপন করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, গণতন্ত্রের নির্বাচন স্থগিত করা একটি চরমতম পথ। এই পথের তীব্র বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি ত্রিপুরা সরকারের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছে। 

Chinese dad: ছেলেকে বাঁচানোই ছিল চ্যালেঞ্জ, বাড়িতে বসে ওষুধ বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিল বাবা

Taj Mahal: একালের শাহজাহান, স্ত্রীকে ভালোবেসে তৈরি করলেন ছোট্ট তাজমহল, দেখুন ছবিতে

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ হলঃ 
১. ডিজিপি ও আইজিপি ২৪ নভেম্বর অর্থাৎ বুধবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করবে। নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ হয় তা নিয়ে পদক্ষেপ করবে। আধা সামরিক বাহিনীর প্রাপ্যতারও মূল্যায়ন করবে। 

২. একদম নিচুতলা থেকে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে হবে। সিআইপিএফ-এর কাছে বিষেয় দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। 

৩. ডিজিপি ও আইজিপি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যাতে কোনও বাধা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হবে তা নিশ্চিত করার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। ভোটের দিন রাজ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে। 

৪. ত্রিপুরা সরকারকে অভিযোগ, এফআইআর দায়ের, ব্যবস্থা নেওয়া ও গ্রেফতারের একটি বিবৃতি জমা দিতে হবে। 

৫. আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলিকে দায়িত্ব সমান ও নির্দলীয়ভাবে পালন করবে। 

তবে ভোটের আগেই ত্রিপুরায় মোতায়েন করা করা কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ শুরু করেছে সিআরপিএফ জওয়ানরা। 

সম্প্রতি ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দলীয় কর্মীদের উপর হামলা আর মারধরের অভিযোগ করা হয়েছে। পাল্টা বিজেপির অভিযোগ ত্রিপুরায় বহিরাগতরা অশান্তি তৈরি করছে। এই অবস্থায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয় রবিবার তৃণমূলের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষকে গ্রেফতারের পর। সোমবার তিনি জামিন পেলেই দিনভর উত্তপ্ত ছিল জাতীয় রাজনীতি। কারণ সোমবার সকাল থেকেই ত্রিপুরায় উস্যুতে তৃণমূলের সাংসদরা ধর্না দেন নর্থব্লকে। দিনের শেষে অমিত শাহর বাড়িতে বৈঠক শেষে অবস্থান বিক্ষোভ থেকে উঠে পড়েন তৃণমূল সাংসদরা। 

YouTube video player