আজকের দিনে মন ভাল করা খবর নিতান্তই হাতে গোনা। কিন্তু এই খবর পড়ার পর সত্যি মন ভাল না করে থাকা যায় না। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন এক আশি বছরের বৃদ্ধা। যাঁর হাতের ছোঁয়ায় প্রতিদিন পেট ভরে প্রায় অসংখ্য মানুষের। গল্পটি ভাগ করে নিয়েছেন মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রা। নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে তিনি শেয়ার করেছেন এমন এক মহিলার জীবনকাহিনী যাঁর কথা জানলে সত্যি দুচোখ জলে ভিজে যাবে। আশি বছরের বৃদ্ধে কে কমলাথল দরিদ্র মানুষের জন্য করেছেন ভরপেট খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা। গরিব মানুষকে খাবার তুলে দিতে মাত্র এক টাকায় ইডলি বিক্রি করেন এই বৃদ্ধা। 

আশি বছরের বৃদ্ধা কে কমলাথল-এর বাড়ি তামিলনাড়ুর পেরুর কাছে ভাদিভেলামপালায়াম গ্রামে। গত ৩০-৩৫ বছর ধরে ইডলি প্রতি ১ টাকা দরেই বিক্রি করছেন তিনি। প্রতিদিন সূর্য ওঠার আগেই ঘুম থেকে উঠেই লেগে পড়েন ইডলি প্রস্তুত করতে। নরম নরম সুস্বাদু ইডলি তিনি চাটনি ও সাম্বার সহযোগে পরিবেশন করেন। আগে তাঁর ইডলির দাম ছিল পঞ্চাশ পয়সা। কিন্তু মুল্যবৃ দ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তিনিও তাঁর ইডলির দাম বাড়িয়েছেন, কিন্তু ওই এক টাকা। 

'এ তো ট্রেলার ছিল, সিনেমা এখনও বাকি আছে', সরকারের ১০০ দিনে মোদী উবাচ

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের প্রতিবাদের জের, পুজোর মুখেই ধর্মঘটের ডাক

ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার প্রত্যাশার থেকেও দুর্বল, উদ্বেগ প্রকাশ করল আইএমএফ

এই দুই রাজ্যে দিয়ে চলবে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন, জানেন কি মাথাপিছু ভাড়া কত

প্রতিদিন প্রায় ১০০০টি ইডলি প্রস্তুত করেন তিনি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্য়মকে তিনি জানিয়েছেন, লাভের অঙ্ক তাঁকে ভাবায় না, সাধারণ মানুষকে খাওয়াবেন এই আনন্দেই ইডলি বিক্রি করেন তিনি। তবে তাঁর এই গল্প বিজনেস টাইকুন আনন্দ মাহিন্দ্রা শেয়ার করার পরই বৃদ্ধার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলে। তাঁর এই প্রচেষ্টাকে সম্মান জানাতে তাঁর ব্যবসায়ে লগ্নি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন আনন্দ মাহিন্দ্রা। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে কাঠের জ্বালানিতে ইডলি তৈরি করতে দেখে তাঁকে এলপিজি জ্বালানির স্টোভ প্রদান করারও ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।