আবারও লকডাউনের সমালোচনায় সরব কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এদিন তিনে ভার্চুয়াল আলোচনা করেন দেশের প্রথম সারির শিল্পপতি রাজীব বাজাজের সঙ্গে। সেখানেই তিনি বলেন, লকডাউনের চরম খেসারত দিতে হচ্ছে দেশের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের। প্রবলতর সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে প্রবাসী শ্রমিক ও দিন মজুরদের। রাহুলে কথায় কেউ ভাবতেই পারেনি করোনা সংক্রমণ রুখতে গোটা বিশ্বই লকডাউনের পথে যাবে। বিশ্ব যুদ্ধের সময়ও এমন বন্দিদশার মধ্যে কাটাতে হয়নি সেই সময়ের মানুষদের। সেই সময়ও সবকিছু উন্মুক্ত ছিল। এই লকডাউনকে তিনি ধ্বংসাত্মক ঘটনা হিসেবেই চিহ্নিত করেন। 

বৃহস্পতিবার রাহুল গান্ধী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলেছিলেন রাজীব বাজাজের সঙ্গে। সেই সময় তিনি আবারও তীব্র সমালোচনা করেন কেন্দ্রীয় সরকারের। তিনি বলেন প্রথম থেকেই বিয়ষটা বিকেন্দ্রীকরণের প্রয়োজন ছিল। প্রথম থেকেই মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেই সময় তা করা হয়নি। কিন্তু এখন অনেকটাই দেরী হয়ে গেছে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে অবিলম্বে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা বসা উচিৎ সরকারের। তেমনই মনে করেন বলেও জানিয়েছেন রাহুল।  

সন্তানের কাছে থেকেও ছোঁয়া যাবে না, প্রবল যন্ত্রণার গল্প শোনালেন মুম্বইয়ের এক মা ...

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়িয়েছে, স্বস্তি দিচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য ...

শেষ ১৬ দিনে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক, আনলক আরও বিপদ ডেকে আনবে কি ...

ভারতে লকডাউন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এদিন রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করে আবারও এই মন্তব্য করেন। এখানে না থেকে রাহুল আরও বলেন এটাই একমাত্র দেশ, যেখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই শিথিল হচ্ছে লকডাউনের নিয়ম। 

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মহামারীর আকার নেওয়ার পরই সমগ্র পরিস্থিতি নিয়ে  বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন কংগ্রেসের ওয়াইনাডের সাংসদ। সেই তালিকায় রয়েছেন নোবেল জয়ী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, রঘুরাম রাজন। দুজনেও অভিবাসী শ্রমিক ও আর্থিক পিছিয়ে পড়া মানুষের সহযোগীতার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে সারসরি নগদ টাকা দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছিলেন।