কোটার কুনহাদি থানা এলাকায় মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে একটি শিব মিছিল বের করা হচ্ছিল, যেখানে হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় ওই শিশুরা। এতে শিব মিছিলে অংশ নেওয়া ১৪জনেরা বেশি শিশু দগ্ধ হয়।

রাজস্থানের কোটায় মহাশিবরাত্রি উপলক্ষ্যে একটি মিছিলের সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই শিবপুজোর শোভাযাত্রায় বৈদ্যুতিক শক লেগে প্রায় ১৪ শিশু দগ্ধ হয়। আহত সকল শিশুকে চিকিৎসার জন্য এমবিএস হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে কুনহাদি থার্মাল মোড়ের কাছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

লক্ষণীয় যে কোটার কুনহাদি থানা এলাকায় মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে একটি শিব মিছিল বের করা হচ্ছিল, যেখানে হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় ওই শিশুরা। এতে শিব মিছিলে অংশ নেওয়া ১৪জনেরা বেশি শিশু দগ্ধ হয়। ঘটনাটি সাগতপুরার কালী বস্তির। স্থানীয় সূত্রে খবর যাত্রাকালে অনেক শিশু ধর্মীয় পতাকা বহন করছিল। এ সময় পতাকাটি উচুঁ বৈদ্যুতিক তার ছুঁয়ে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় শিশুরা।

শিশুদের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে পৌঁছেছেন জ্বালানিমন্ত্রী

বলা হচ্ছে, শিব মিছিল যেখান দিয়ে যাচ্ছিল সেখান থেকে জল ছড়িয়ে পড়েছিল। এ কারণে ইলেকট্রিকের প্রবাহ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সব শিশুকে কোটার এমবিএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানিমন্ত্রী হীরালাল নাগর আহত শিশুদের সঙ্গে দেখা করতে এমবিএস হাসপাতালে পৌঁছেছেন এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, রাজ্যের জ্বালানিমন্ত্রী হীরালাল নাগর এবং অন্যান্য আধিকারিকরাও এমবিবিএস হাসপাতালে পৌঁছেছেন। সাংবাদিকদের ওম বিড়লা বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। কেন এ ঘটনা ঘটেছে তা তদন্ত করে দেখা হবে। সবাই বর্তমানে শিশুদের চিকিৎসায় ব্যস্ত রয়েছে। সব রকম ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এক শিশুর অবস্থা গুরুতর। রেফারেলের প্রয়োজন হলে সেটাও করা হবে। শিশুদের সম্ভাব্য সবরকম চিকিৎসা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ওম বিড়লা।

Scroll to load tweet…

প্রতি বছর শিব মিছিলের আয়োজন করা হয়

প্রতি বছর কালী বস্তিতে শিব মিছিলের আয়োজন করা হয়। বেশিরভাগ শিশুই তাদের পরিবারের সদস্যদের ছাড়াই শিব শোভাযাত্রায় অংশ নিতে এসেছিল। লোকজন বলছেন, আয়োজকদের ভুলের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে আয়োজকরা হাসপাতালে পৌঁছালে বিক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্যরা তাদের মারধর করে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।