তিন তালাক আর ছেলেকে কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ জানিয়েছিল স্বামীর বিরুদ্ধে। উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরনগরের যুবতীর পরিণতি হল মর্মান্তিক। 

প্রথমে তাৎক্ষণিক তিন তালাক, তারপর স্বামী কেড়ে নিয়ে গিয়েছিল কোলের সন্তানকেও। আর সব শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিল তার একটি অশ্লীল ভিডিও। সেই অুমান আর সহ্য করতে পারেনি ২৫ বছরের যুবতীটি। বিষের জ্বালায় শেষ করে দিয়েছে নিজের জীবন। চাঞ্চল্য কর ই ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার, উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরনগর জেলার কিষানপুর গ্রামে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রবিবার স্থানীয় ভোপা থানার এসএইচও দীপক চতুর্বেদী জানিয়েছেন, চার বছর আগে বিয়ে হয়েছিল এই মুসলিম দম্পতির। তাদের একটি ১৮ মাস বয়সী ছেলেও আছে। কিন্তু, তিন মাস আগে স্ত্রীকে তিনবার তালাক উচ্চারণ করে বিবাহ বিচ্ছেদদ দিয়েছিল তার স্বামী। তারপর স্বামীর ঘর ছেড়ে ওই যুবতী কিষাণপুর গ্রামে বাপের বাড়ি চলে েসেছিল। কোলের ছেলেকে নিয়ে থাকতে শুরু করেছিল বাবা -মায়ের সঙ্গে। 

"

কিন্তু, গত ১৮ অগাস্ট তার বাপের বাড়ি আসে স্বামী। ওই মহিলার কাছ থেকে তার ছেলেকে জোর করে কেড়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। ওই দিনই ভোপা থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন মহিলা। তাত্ক্ষণিক তিন তালাক দেওয়া এবং জোর করে সন্তানকে কেড়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ এনেছিলেন স্বামীর বিরুদ্ধে।

সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছিল। স্ত্রী পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছে জানতে পেরে েক ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ নেওযার পথে যায় তার স্বামী। আগেই তোলা স্ত্রীর েকটি অশালীল ভিডিও সে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বলে অভিযোগ। চেনাশোনা মানুষদের সরাসরি সেই ভিডিও পাঠায় সে। সেই ভিডিও প্রকাশের কথা জানতে পারেন ওই মহিলা। 

আরও পড়ুন - ডানা কেটে নিয়েছিল তালিবান, ছবিতে ছবিতে চিনে নিন আফগান বায়ুসেনার প্রথম মহিলা পাইলটকে

আরও পড়ুন- কাবুলে 'রুদ্ধ সঙ্গীত' - গানের স্কুলে ভাঙছে বাদ্যযন্ত্র, বাড়ছে তালিবানের আনাগোনা, দেখুন

আরও পড়ুন - মাইসুরুতে নির্ভয়া - গণধর্ষিতা ছাত্রী, বেধড়ক মার তাঁর প্রেমিককে, ২৪ ঘন্টা পরও অধরা দুষ্কৃতীরা

েরপরই শনিবার ওই মহিলাকে তার বাপের বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার ঘরে েকটি কীটনাশকের বোতলও পাওয়া যায়। যার থেকে পুলিশ মনে করছে, বিষ খেয়েই সে আত্মহত্যা করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টও সেই দিকেই ইঙ্গিত করেছে। তবে ওই মহিলার পরিবারের পক্ষ থেকে তার স্বামীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ জানানো হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে তিন ভারতীয় দণ্ডবিধি ও সাইবার অপরাধ আইনের ধারায় মামলা দায়ের করেছে। 

YouTube video player