ছত্তিশগড় জেলার রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ছোট্ট গ্রাম পিপ্রাহি গ্রামের মধ্যে রয়েছে এক বিশালাকার পুকুর সেই পুকুর অতিক্রম করাই গ্রামবাসীদের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ কারণ সেখানে নেই কোনও স্থায়ী সেতু

ছত্তিশগড় জেলার রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ছোট্ট গ্রাম পিপ্রাহি। গ্রামের মধ্যে রয়েছে এক বিশালাকার পুকুর। সেই পুকুরটিই গ্রামের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের এক অন্যতম মাধ্যম। গুপুত্বপূর্ণ সেই পুকুর অতিক্রম করাই গ্রামবাসীদের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ সেই পুকুরের ওপর নেই কোনও পাকা সাঁকো। আর সেই অভিযোগ থেকেই আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গ্রামবাসীরা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এখনও পর্যন্ত কোনও পাকা সেতু না থাকায় গ্রামবাসীরাই উদ্যোগ নিয়ে তৈরি করেছেন কাঠের একটি অস্থায়ী সেতু। সেটাই তাঁরা ব্যবহার করেন। তবে বর্ষায় যখন জলের পরিমাণ বেড়ে যায় তখন সােতু অতিক্রম করা খুবই অসুবিধাজনক হয়ে পড়ে। গ্রামেরই এক বাসিন্দা মোহন মেহতার কথায়, 'অতীতে এই নিয়ে বহুবার আমরা জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন নেতাদের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি, বারংবার অনুরোধ করার পরও আমাদের দাবি মানা হয়নি আর সেই কারণেই আমরা আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।' গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ যে, বর্ষায় যখন জল বেড়ে যায় তখন গ্রামটি যেন একটি ছোট্ট দ্বীপে পরিণত হয়। 

Scroll to load tweet…

এখানেই শেষ নয়, গ্রামবাসীরা এও অভিযোগ করেন, অস্থায়ী সেতুটির অবস্থা এতটাই ভগ্নপ্রায় যে, প্রতিদিনই কেউ না কেই সাঁকো থেকে জলে পড়ে যায়। শুধু তাই নয়, অস্থায়ী সেতুর অভাবে এখানে একটা অ্যাম্বুলেন্সও গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। তাই অসুস্থ ব্যক্তিকে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রদান করতে একটি খাটিয়াতে করে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিষয়টি সম্পর্কে কর্মকর্তাদের জানানো হলে তাঁদের তরফে ফাঁকা আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। 

আরও পড়ুন- গত ৫ বছরে বিশ্বে ভারতের কদর অনেকটাই বেড়েছে, মার্কিন সফর থেকে দেশে ফিরে বার্তা মোদীর

আরও পড়ুন- পুনেতে উদ্ধার ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের বাঘের ছাল, পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত

জেলা পঞ্চায়েতের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এস হরিশ-এর সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গ্রামবাসীর অভিযোগ সম্পর্কে তিনি অবগতই নন, তবে শীঘ্রই এর সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।