মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি মুছে ফেলে এখন পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। এতে অবশ্য কোনও উন্নতি হচ্ছে না। পাকিস্তানের মতোই অন্ধকূপে তলিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানে যেমন আটার জন্য গরিব মানুষের মধ্যে মারপিট দেখা যায়, বাংলাদেশেও কি এবার চালের জন্য সেরকম মারামারি দেখা যাবে? ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বা ভারত সরকারের 'ভুয়ো প্রচার', 'চক্রান্ত' নয়, স্বয়ং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো জানিয়েছে, এখন বাংলাদেশের ১৯.২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করছেন। শহরাঞ্চলে গরিব মানুষের সংখ্যা ১৬.৫ শতাংশ। গ্রামাঞ্চলে সরকারি হিসেবে গরিব মানুষের সংখ্যা ২০ শতাংশের বেশি। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি বরিশাল বিভাগে। এখানে ২৬.৬ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করছেন। চট্টগ্রাম বিভাগের অবস্থা বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলগুলির তুলনায় ভালো। চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫.২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাস করছেন। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাস করা মানুষের সংখ্যা ১.৮ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। এখন ঢাকায় ১৯.৬ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করছেন। রাজশাহি ও ময়মনসিংহ জেলায় দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাস করা মানুষের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। সারা বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি মাদারিপুর জেলার ডাসার উপজেলায়। এখানে ৬৩.২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

'সোনার বাংলা'-র এ কী হাল!

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু সেই সময় দারিদ্র্যসীমার নীচে এত মানুষ বাস করছেন বলে জানা যায়নি। হাসিনা ক্ষমতা হারানোর পর যিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন সেই মহম্মদ ইউনূস সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত। তিনি গ্রামীণ ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। গরিব মানুষের জন্য ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্রবিত্তের উদ্যোগ নেন ইউনূস। এই কারণে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। কিন্তু তাঁর শাসনকালে বাংলাদেশে যেমন সংখ্যালঘুদের উপর সীমাহীন অত্যাচার চলছে, তেমনই দারিদ্র্যও বেড়ে চলেছে।

পাকিস্তানের পথেই বাংলাদেশ!

নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশ। বেশিরভাগ জেলাতেই চাষ ভালো হয়। কিন্তু সেই বাংলাদেশেই এখন নাগরিকদের বড় অংশ ঠিকমতো খাবার পাচ্ছে না। ভারত চাল পাঠালে তবে বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের মুখে ভাত উঠছে। অথচ নতুন বন্ধু পাকিস্তানের মতোই ভারতের সঙ্গে শত্রুতার পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। ভারত যদি খাদ্যশস্য রফতানি বন্ধ করে দেয়, তাহলে বাংলাদেশের মানুষের খাবার জুটবে না। অন্য এক নতুন বন্ধু চিন নিজের স্বার্থের বাইরে কিছু করবে না। ইউনূস বোধহয় সেটা বুঝতে পারছেন না।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

আরও পড়ুন-

বাংলাদেশে কবে সাধারণ নির্বাচন? ফের বিএনপি-জামাত মতপার্থক্য প্রকাশ্যে

মুখ থুবড়ে পড়ল বাংলাদেশ! মোটা টাকার তহবিল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের

YouTube video player