আপাতত অবস্থা স্থিতিশীল। আইসিইউ থেকে বের করে আনা হল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে। তবে হাসপাতালের বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে। 

ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছিল শরীর। বেগতিক বুঝে রবিবারই হোম কোয়ারান্টাইন থেকে হাসাপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকে। বিকেলের দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট বা আইসিইউতে দেওয়া হয় বরিস জনসনকে। তবে সব উৎকন্ঠা কাটিয়ে অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়াই আইসিইউ থেকে সরানো হয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে।

প্রাণীসম্পদ থেকে পোষ্য হল কুকুর, করোনাভাইরাস-এর জেরে চিনে বড়-সড় রদবদল..

বৃহস্পতিবার এই খবর প্রকাশ্য়ে আসতেই টুইট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি লেখেন, ভালো খবর!দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠো বরিস। গত মাসের শেষে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর শরীরে। বাড়িতেই ছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

ব্রিটেনের সাম্প্রতিক করোনার ইতিহাস বলছে,ক্রমশই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। মার্চের শেষের দিকে করোনা পজিটিভ মেলে বরিসের শরীরে। চিকিৎসকরা তার হোম কোয়ারান্টাইনের ব্য়বস্থা করেন। বিগত ১০ দিন ধরে করোনার সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী। লন্ডনের থমাস হাসাপাতালে ভর্তির পর থেকেই শারীরিক  অবস্থা স্থিতিশীল  ছিল না বরিসের। সোমবারই ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিবৃতি দেয় ১০ ডাউনিং স্ট্রিট। হাসপাতালের মেডিক্য়াল বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি  ক্রমশই হাতের বাইরে চলে যাচ্ছিল। 

২ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের সমাবেশ, ভারতের পর পাকিস্তান-কে ডোবালো তাবলিগি জামাত.

কদিন আগেই অবস্থা খারাপ দেখে প্রধানমন্ত্রীকে দ্রুত আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বিগত কিছুদিন ধরেই প্রধানমন্ত্রীর অবর্তমানে তাঁর কাজ দেখছেন বিদেশমন্ত্রী ডিমিনিক রাব। দেশের প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থায় পাশে দাঁড়িয়েছে বিরোধী দল থেকে ব্রিটেনবাসী সকলেই। সোশ্য়াল মিডিয়ায় বরিসের দ্রুত আরোগ্য় কামনা করছে ব্রিটেনবাসী। রবিবার হাসপাতালে ভর্তি  হওয়ার আগেও একবার টুইট করেন বরিস। যেখানে  তিনি বলেন, ভেঙে পরবার কিছুই নেই। আমাদের এই মারণ ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধে জিততেই হবে।

হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন পেয়ে মোদী বন্দনায় ট্রাম্প, উত্তরে বন্ধুকে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী.