গত কয়েক মাসে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটেছে কাবুলে। বুধবার সকালে ফের একবার রক্তাক্ত কাবুল। গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ গেল কমপক্ষে সাত জনের। আহতের সংখ্যাও সাত। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। 

জানা গিয়েছে, স্থানীয় সময়ানুসারে বুধবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। কাবুল শহরের কাসাবা এলাকার পুলিশ ডিস্ট্রিক্ট ১৫-তে এই ঘটনা ঘটে। সংবাদ সংস্থাগুলিতে প্রকাশিত খবর থেকে আরও জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার দায়ভার কেউ গ্রহণ করেনি। 

সাম্বার দেশে মোদী, আপনিও ঘুরে আসুন ছবির মতো এই পাঁচ ব্রাজিলিয় শহরে, লাগবে না ভিসাও

প্রসঙ্গত, দুদিন আগেই দুজন তালিবান কমান্ডার এবং হাক্কানি জঙ্গি গোষ্ঠীর এক নেতাকে দুই অধ্যাপকের বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। তারপরেই এই ধরণের ঘটনা ঘটায় প্রশ্ন উঠছে...। 

এর আগে অক্টোবরেই আফগানিস্তানে নমাজের সময় একটি মসজিদে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৬২ জন নিহত হয়। আফগানিস্তানের নানগাহর প্রদেশে এই বিস্ফোরণের জেরে বহু মানুষ আহত হন। নানগাহর প্রদেশের মুখপাত্র আতাউল্লাহ খোগাইনি এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন,  ঘটনায় ৩৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কাপ্রকাশ করেছিলেন।

বাড়ি বাঁচাতে এসে দুধ খেলেন , ক্ষমা চেয়ে দমকলকর্মীদের চিঠি ভাইরাল নেট দুনিয়ায়

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছিলেন, বিস্ফোরণের পর মসজিদের ছাদ ভেঙে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী মালিক মহম্মদি গুল সিনওয়ারির কথা অনুযায়ী, 'জীবনে কখনও এত ভয়াবহ দৃশ্য দেখিনি। হঠাৎ করে বিস্ফোরণে মসজিদটা কেঁপে ওঠে।' নানগাহর প্রদেশের পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, 'বিস্ফোরণের প্রায় সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। মৃতদেহগুলো এদিক ওদিক ছড়িয়ে রয়েছে। আহতরা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন।' 

কী কাণ্ড, জলে খেলে বেড়াচ্ছে মানুষের মাথাওয়ালা মাছ, নিমেষে ভাইরাল ভিডিও

পরে জানা যায়, তালিবান জঙ্গিগোষ্ঠী এই হামলার দায় অস্বীকার করে। পাশাপাশি আফগানিস্তানের নানগাহর প্রদেশে আইএস ও তালিবান দুই জঙ্গিগোষ্ঠী সক্রিয়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, এই হামলার নেপথ্যে আইএস থাকতে পারে। 

কানে অসহ্য যন্ত্রণা, চিকিৎসক হাত দিতেই বেরিয়ে এল একের পর এক আরশোলা

রাষ্ট্রসংঘ একটি রিপোর্টে জানিয়েছে, ২০১৯ সালে আফগানিস্তানে  সাধারণ নাগরিককে লক্ষ্য করে হামলার হার অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জঙ্গি হামলায় যতজন নিহত হয়েছেন, তার ৪১ শতাংশ শিশু ও মহিলা।