বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে মারণ করোনা ভাইরাস। প্রতিদিনই নতুন নতুন দেশে পাওয়া যাচ্ছে করোনা আক্রান্তের খোঁজ। কীভাবে গোটা পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যাবে তা নিয়ে নাজেহাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু। তবে আশার কথা এর মাঝেই করোনার এপিসেন্টার চিনে ক্রমেই কমছে মৃত্যু হার। সোমবার ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ জন। চিনের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী দেশটিকে কোভিড ১৯ ভাইরাসের বলি হয়েছে ৩,১৩৬ জন। আক্রান্তের সংখ্যা সবমিলিয়ে ৮০,৭৫৪।

গতবছর  ডিসেম্বরে  উহান শহরেই প্রথম প্রাদুর্ভাব ঘটে করোনা ভাইরাসের। তারপর হুবেই প্রদেশ হয়ে তা থাবা বসায় গোটা চিনে। সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য এতদিন হুবেই প্রদেশকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল চিনা প্রশাসন। মঙ্গলবার প্রথম করোনা আক্রান্ত উহান শহর পরিদর্শনে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই হুবেই প্রদেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। এই পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহেই চিনে বন্ধ করে দেওয়া ৪২টি স্টোরের মধ্যে ৩৮টি পুনরায় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যাপেল।

আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কের মাঝেই রঙিন হোলি, শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি

এশিয়ার আরেক দেশ দক্ষিণ কোরিয়াতেও ভাল রকম থাবা বসিয়েছে  করোনা ভাইরাস। সোমবার নতুন করে এই দেশে ১৩১ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। ফলে দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭,৫১৩। সোমবার  মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। ফলে এশিয়ার এই দেশটিতে করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪। 

এদিকে তিনে কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা তা পরীক্ষা করাতে রাজি হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইটহাউস সূত্রে জানা যাচ্ছে কোনও করোনা আক্রান্তের সঙ্গে দেখা হয়নি মার্কিন প্রেসিডেন্টের। তাঁর শরীরে এই মারণ ভাইরাসের কোনও লক্ষণও দেখা যায়নি। সেই কারণে ট্রাম্পের এই পরীক্ষার প্রয়োজন নেই বলে জানান হয়েছে। 

আরও পড়ুন: উজ্জয়িনীর মহাকাল মন্দির থেকে মথুরার রাজপথ হয়ে বারাণসী, আজ ফাগের রঙে রঙিন গোটা দেশ

চিনের বাইরে কোরনায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালিতে। সোমবার দেশটিতে  একলাফে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৩। এই পরিস্থিতিতে দেশে জরুরী অবস্থার মেয়াদকাল আরও বাড়ান হল বলে জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী গিয়োসপি কন্টে।