স্থানীয় সময় দুপুর ১.০৫ মিনিটে ভূমিকম্পের আঘাতে কেঁপে ওঠে মেক্সিকোর মাটি। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল আকুইলার ৩৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কোলিমা এবং মিচোয়াকান রাজ্যের সীমান্তের কাছে, ১৫.১ কিলোমিটার গভীরে।

তাইওয়ানের পর ভূমিকম্পের শক্তিশালী কম্পনে কেঁপে উঠেছে মেক্সিকো। মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর কবলে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে ত্রাণ ও উদ্ধারকারী দল সতর্কতা হিসেবে অনেক বাড়ি খালি করেছে। একই সঙ্গে জারি করা হয়েছে সুনামি সতর্কতা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা সংস্থা জানায়, স্থানীয় সময় দুপুর ১.০৫ মিনিটে ভূমিকম্পের আঘাতে কেঁপে ওঠে মেক্সিকোর মাটি। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল আকুইলার ৩৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কোলিমা এবং মিচোয়াকান রাজ্যের সীমান্তের কাছে, ১৫.১ কিলোমিটার গভীরে। প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পের মাত্রা ৭.৫ বলে জানা গেছে। জানা যায়, মেক্সিকোতে ১৯৮৫ ও ২০১৭ সালে একই দিনে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

তাইওয়ানে ভূমিকম্পে ১ শ্রমিক নিহত হয়েছেন
অন্যদিকে, তাইওয়ানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সময় পাহাড়ে আটকা পড়া প্রায় ৪০০ পর্যটক নিরাপদে নেমে এসেছেন। রবিবার বিকেলে তাইওয়ানে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে তিনতলা বাড়ি ধসে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে চারজন, যাদের পরে উদ্ধার করা হয়। একটি ট্রেন লাইনচ্যুত এবং একটি সেতুও ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সময়ে সিমেন্ট কারখানায় কর্মরত এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন- কেমন যাবে ২০২২, পঙ্গপাল হানা, সুনামি, নতুন ভাইরাসের ভবিষ্যৎবাণী বাবা ভাঙ্গার

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল পূর্ব হুয়ালিন কাউন্টিতে, তবে কম্পন তাইওয়ান জুড়ে অনুভূত হয়েছিল। রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত আফটারশক দ্বীপটিতে আঘাত হানতে থাকে, যদিও এর বেশি তীব্র ছিল না। খবরে বলা হয়েছে, আটকে পড়া পর্যটকরা রাতের বেলা পাহাড় থেকে নেমে আসেন, যার মধ্যে সোমবার শেষ ৯০ জন নেমে আসেন। পরিবহন মন্ত্রী হুলিয়ান কাউন্টি বলেছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ট্র্যাকের কিছু অংশ পুনরুদ্ধার করতে এক মাস সময় লাগবে।

আরও পড়ুন- কাঠমান্ডুর ভূমিকম্পের রেশ ছড়াল উত্তরবঙ্গে, ভারী বৃষ্টির সঙ্গে কাঁপল পাহাড়ের মাটি

ভূমিকম্পের পর ধ্বংসের ছবি ক্রমশই প্রকট হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সামনে আসছে একের পর এক ধ্বংসের ছবিয কোথাও দেখা যাচ্ছে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেন দুলে উঠছে। কোথাও আবার হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ছে ছাদ। রাস্তার ফাটল দুটুকরো করে দিচ্ছে পথ। ধস নামছে পাহাড়ে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পটি দুপুর ২টা ৪৪ মিনিটে টাইতুং থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার (৩০ মাইল) উত্তরে ১০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে। সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (সিএনএ) অনুসারে ইউলি গ্রামে অন্তত একটি ভবন ধসে পড়েছে। শনিবার একই এলাকায় ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পের পর থেকে বহু কম্পন হয়েছে। তবে রবিবারের ভূমিকম্প ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী।