ঐতিহাসিক সম্মেলন। শনিবার থেকে শুরু হল ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশের সঙ্গে ভারতের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন। ভারত ছাড়া এর আগে শুধুমাত্র আমেরিকার সঙ্গেই এই ধরণের শীর্ষ বৈঠক করেছে ইইউ-এর সদস্য দেশরা। আর দেশে যখন করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তুলছে বিরোধীরা, তখন এই ঐতিহাসিক সম্মেলন থেকে ইউরোপের নেতারা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি বার্তা দিলেন, 'কারোর লেকচার শোনার দরকার নেই'।

ইইউ-এর সব নেতাই আলাদা আলাদা করে চিকিত্সা সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। সেই সময় ইউরোপের দেশগুলিতে কোভিড পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ ছিল। বর্তমানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সুনামি হয়ে উঠছে, সেই সময় ইইউ-এর প্রত্যেকটি দেশই ভারতের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। ভারতের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যেভাবে হোক সহায়তা দেওয়ার কথা দিয়েছে তারা।

ফরাসী রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ বলেছেন, ভ্যাকসিন সরবরাহ সম্পর্কে ভারতের 'কারও কাছ থেকে বক্তৃতা শোনার' দরকার নেই। তিনি জানান, 'মানবতার খাতিরে প্রচুর ভ্যাকসিন রফতানি করেছে'। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো স্যাঞ্চেজ, জানিয়েছেন গত বছর স্পেনের দুঃসময়ে ভারতীয় সাহায্য এসেছিল তাদের খুবই কাজে এসেছিল। পর্তুগিজ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তনিও কোস্তা, গর্ব সহকারে তাঁর ভারতীয় নাগরিকত্বের কথা উল্লেখ করেছেন। বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডি ক্রু আবার গুজরাতের বাসিন্দা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে 'কেম ছো' বলে সম্বোধন করেন। গুজরাতি ভাষার বাংলা করলে দাঁড়ায়, 'কেমন আছেন'।

আরও পড়ুন - লাগবে না কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট - হাসপাতালে ভর্তিতে ৪ নতুন নির্দেশ, কী বলল কেন্দ্র

আরও পড়ুন - মুকুল রায়কে নিয়ে জল্পনার অবসান - এরপর কোন পথে, নিজেই জানালেন সেই কথা

আরও পড়ুন - 'দলের ক্ষতি করেননি' - তৃণমূলে টিকেই গেলেন দিব্যেন্দু অধিকারী, বহিষ্কৃত প্রাক্তন বিধায়ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনে ট্রিপস ওয়েভার অর্থাৎ বৌদ্ধিক সম্পত্তির অধিকারের বাণিজ্য সম্পর্কিত মওকুফকে সমর্থন করার জন্য ইইউ নেতৃত্বের কাছে আবেদন করেছিলেন। এটি কোভিড-সম্পর্কিত চিকিত্সা এবং ভ্যাকসিন বিশ্বব্যাপী উপলব্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।