Asianet News Bangla

ক্রেতাদের পাতে 'কৃত্রিম' মুরগির মাংস, সিঙ্গাপুরের পর আরও একটি দেশ শুরু করল পরীক্ষা

  • ক্রেতাদের পাতে ল্যাবে তৈরি মুরগির মাংস 
  • ডিসেম্বরে শুরু হয়েছিল সিঙ্গাপুরে 
  • এবার পরীক্ষা শুরু করল ইসরায়েল 
  • কৃত্রিম মাংস উৎপাদন হচ্ছে আর বিক্রি হচ্ছে
israelis enjoy lab grown meat they called future food bsm
Author
Kolkata, First Published Jun 24, 2021, 12:25 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

মুগরির মাংস। কিন্তু প্রাকৃতিক নয়। সম্পূর্ণ কৃত্রিম। পরীক্ষাগারে তৈরি হয়েছে। আর সেই মাংসই রীতিমত চেটেপুটে খাচ্ছেন ইসরায়েলবাসী। ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় শহর নেস জিয়োনায় ডিনাররা পরীক্ষা কেন্দ্রে তৈরি করা হয়েছে এই কৃত্রিম মাংস। তাই সার্ভ করা হচ্ছে স্থানীয় একটি হোটেলে। বিজ্ঞানীদের দাবি বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে খাওয়ানোর জন্যই এটাই পরিবেশ বান্ধব একটি সমাধান। 

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আবারও বাড়ল, ডেল্টা প্লাসই তৃতীয় তরঙ্গের কারণ নয় বললেন বিশেষজ্ঞ ...

তেল আভিভের একটি রেস্তোঁরা ল্যাবে তৈরি করা এজাতীয় মুরগির বিক্রি করে। রেস্তোঁরাটি একধরনের সুপারমিট টেস্টিং গ্রাউন্ড। যা নিয়মিত নিত্যনতুন খাবারের পরীক্ষা পরিচালনা করে। যা গ্রাহকদের উৎসহ বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে। এছাড়াও মধ্য ইসরায়েলের নেস জিয়োনায় একটি ভবনে ল্যাবে তৈরি মুরগির মাংস দিয়ে বার্গার তৈরি করেছে। যা নিয়ে রীতিমত উৎসহ বাড়ছে ক্রেতাদের মধ্যে। বার্গারের নাম দিয়েছে 'দ্যা চিকেন'। সুপার মিট-এর এক গবেষক ইডো সাভিরক জানিয়েছেন, এই বিশ্বে প্রথমবার উপস্থিত গ্রাহকদের পাতে তুলে দেওয়া হল পরীক্ষাগারে তৈরি মাংস। যা সম্পূর্ণ কৃত্রিমভাবে তৈরি হয়েছে। 

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, উপনির্বাচনের দাবি তুলে কেন্দ্রের ওপর চাপ বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী ম...

Delta Plusএ প্রথম মৃত্যু মধ্যপ্রদেশে, করোনাভাইরাসের টিকার 'গুরুত্ব' নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন মৃতা ...

রাষ্ট্র সংঘের কৃষি ও খাদ্য সংস্থা ২০২৭ সালের মধ্যে মাংসের উৎপাদন পরিমাণ ১৫ শতাংশ বৃ্দ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে। তবে ইসরায়েলের সুপার মিট যে এজাতীয় খাবার প্রথম পরিবেশন করছে তা নয়। গত ডিসেম্বরেই সিঙ্গাপুরের রেস্তোঁরাগুলি প্রথম ইতিহাস তৈরি করেছিল। সেই সময় তাঁরা পরীক্ষাগারে তৈরি মাংস প্রথম ক্রেতাদের সামনে পরিবেশন করেছিল। ল্যাবে তৈরি মাংস উৎপাদন আর বিক্রির অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরই হল প্রথম দেশ। ২০৭০ সালের মধ্যে এজাতীয় মাংসের চাহিদা ৭০ শতাংশ বাড়়বে বলেও আশা করছেন গবেষকরা। এই মাংসের বিকল্পগুলি খাদ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে। 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios