- Home
- World News
- United States
- ট্রাম্পের গাজা শান্তি বোর্ড: কোন দেশ গ্রহণ করল, প্রত্যাখ্যানের তালিকায় কারা?
ট্রাম্পের গাজা শান্তি বোর্ড: কোন দেশ গ্রহণ করল, প্রত্যাখ্যানের তালিকায় কারা?
বিশ্ব রাজনীতিতে আলোড়ন: ডোনাল্ড ট্রাম্প কি শান্তির নামে নতুন বিশ্বশক্তি তৈরি করছেন? গাজা থেকে শুরু হওয়া তাঁর ‘পিস বোর্ড’ ভারত, রাশিয়া এবং আরব দেশগুলিতে ছড়িয়ে পড়েছে, কিন্তু ফ্রান্স-ইউরোপ পিছিয়ে গেছে। এটি কি রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিকল্প হতে চলেছে?

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা: প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রে। কারণ জল্পনায় উঠে আসছে তাঁর প্রস্তাবিত “ট্রাম্প পিস বোর্ড” রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিকল্প শক্তি হতে চলেছে?
ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডে আমন্ত্রিত দেশগুলি:
ট্রাম্প ভারত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ইজরায়েল, পাকিস্তান, তুরস্ক, কানাডা, মিশর, আর্জেন্টিনা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন সহ বহু দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
যেসব দেশ ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডকে "হ্যাঁ" বলেছে:
মরক্কো, আর্জেন্টিনা, হাঙ্গেরি, ভিয়েতনাম এবং কাজাখস্তান যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। কানাডা নীতিগতভাবে সম্মত হলেও কোনো ফি দেবে না বলে জানিয়েছে।
যেসব দেশ প্রত্যাখ্যান করেছে বা দূরত্ব বজায় রেখেছে:
ফ্রান্স রাষ্ট্রসঙ্ঘের ভূমিকা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কায় যোগ দিতে অস্বীকার করেছে। যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
যেসব দেশ এখনও বিবেচনা করছে:
- রাশিয়া: পুতিন আমন্ত্রণ পেলেও ক্রেমলিন জানিয়েছে যে তারা শর্তাবলী পর্যালোচনা করছে।
- বেলারুশ: রাষ্ট্রপতি লুকাশেঙ্কো অংশগ্রহণে ইচ্ছুক।
- থাইল্যান্ড: প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে।
ইজরায়েলে এই বোর্ড নিয়ে বিতর্ক কেন?
বোর্ড গঠনের সময় পরামর্শ না নেওয়ায় ইজরায়েল অসন্তুষ্ট। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার কথা বললেও, তাঁর মন্ত্রীরা এই পরিকল্পনাকে বিপজ্জনক বলেছেন।
এরপর কী হতে চলেছে?
দাভোস ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে চূড়ান্ত সদস্যদের তালিকা প্রকাশিত হতে পারে। এই বোর্ড গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়, যেমন নিরাপত্তা, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং পুনর্গঠন পর্যবেক্ষণ করবে।
ট্রাম্পের শান্তি বোর্ড কি নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার সূচনা?
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ট্রাম্প কি সত্যিই শান্তি চান, নাকি এটি রাষ্ট্রসঙ্ঘের সমান্তরাল একটি নতুন শক্তি কেন্দ্র তৈরির চেষ্টা? এর উত্তর ভবিষ্যতেই মিলবে, তবে এটি বিশ্ব রাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

