বছরের শেষ দিনে করোনা মহামারির সঙ্গে লড়াইয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ফাইজার ও বায়োএনটেকের তৈরি করোনাভাইরাসের ভ্যাক্সিনকে জরুরি বৈধতা দিয়েছে। যার ফরে বিশ্বের সমস্ত দেশগুলিতে করোনা-ভ্যাক্সিনের আমদানি ও বিতরণের পথ সুগম হয়েছে। মোটকথা বছরের শেষদিনে মহামারির সঙ্গে লড়াইয়ে ফাইজারের টিকা ব্যবহারের ছাড়পত্র দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। 

ব্রিটেন গত ৪ঠা ডিসেম্বর মার্কিন ও জার্মান উদ্যোগে তৈরি ফাইজারের টিকা ব্যবহার শুরু করেছিল। পরবর্তীকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কানাডা-সহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি দেশ এই টিকায় ব্যবহার শুরু করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে, এক বছর আগে চিনে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। তারপর তারা প্রথম জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেয় ফাইজারের টিকাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, কোভিড বিরোধী ভ্যাক্সিন যাতে সর্বত্র পৌঁছে যায় তা নিশ্চত করার দায়িত্ব রয়েছে ইউনিসেফের ওপর। প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশন তাদের প্রয়োজনীয় দেশগুলির জন্য এই ভ্যাক্সিন সংগ্রহ করতে সহায়তা করবে। 

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে প্রস্তাবে সায়, বিধায়কের এই পদক্ষেপে প্রশ্নের মুখে বিজেপি ...

বছরের প্রথম দিনেই মহামারি-মুক্তির সূচনা, আজই করোনা-টিকায় সায় দিতে পারে বিষেষজ্ঞ কমিটি ...

ফাইজারের বিকাশ করা টিকার গুণগত মান যাঁচাই করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিজস্ব বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছিল। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী চলা সংস্থার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ারে রিপোর্টের ওপরেও জোর দেওয়া হয়েছিল অনুমোদন দেওয়ার আগে। আর তাতেই দেখা দেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত সুরভা ও কার্যকারিতার জন্য এই প্রতিষেধক প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পুরণ করেছে।