- Home
- World News
- International News
- Asim Munir: আসিম মুনিরের 'ডাবল গেম' ফাঁস? ট্রাম্পের সঙ্গে বন্ধুত্ব, IRGC-র সঙ্গেও যোগাযোগ!
Asim Munir: আসিম মুনিরের 'ডাবল গেম' ফাঁস? ট্রাম্পের সঙ্গে বন্ধুত্ব, IRGC-র সঙ্গেও যোগাযোগ!
আমেরিকা-ইরান উত্তেজনার মাঝে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং ইরানের IRGC-র সঙ্গে যোগাযোগকে 'রেড ফ্ল্যাগ' হিসেবে দেখছে আমেরিকা। ভূ-রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়েছে।
15

Image Credit : X
সম্প্রতি আসিম মুনির তিন দিনের ইরান সফর শেষ করেছেন। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট, বিদেশমন্ত্রী এবং শীর্ষ সামরিক কর্তাদের সঙ্গে দেখা করেন। সরকারিভাবে একে শান্তি আলোচনার প্রচেষ্টা বলা হলেও, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই সফরের সময়টা অত্যন্ত সংবেদনশীল। বিশেষ করে যখন আমেরিকা-ইরান উত্তেজনা চরমে এবং ইসলামাবাদ আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে।
Add Asianetnews Bangla as a Preferred Source

25
Image Credit : X
'ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অফ ডেমোক্রেসিস'-এর বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মুনিরের সঙ্গে IRGC-র পুরনো এবং গভীর সম্পর্ক আমেরিকার স্বার্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মুনির তাঁর গোয়েন্দা প্রধান থাকাকালীন (২০১৬-১৭) ইরানের সেনা ও গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ তৈরি করেছিলেন। এই কারণেই ওয়াশিংটনে প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তান কি সত্যিই নিরপেক্ষ, নাকি দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছে?
35
Image Credit : X
এরই মধ্যে ইরান আলোচনার জন্য চারটি স্পষ্ট শর্ত রেখেছে— হরমুজ প্রণালীর উপর নিয়ন্ত্রণ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি ফেরত এবং আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতি। এই দাবিগুলো শুধু কঠোরই নয়, এও ইঙ্গিত দেয় যে তেহরান কোনও চুক্তির জন্য তাড়াহুড়ো করতে রাজি নয়। ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক আলোচনা ব্যর্থ হওয়া এই জটিল পরিস্থিতিকেই তুলে ধরে।
45
Image Credit : X
পাকিস্তানের পরিস্থিতিও কিছু কম জটিল নয়। একদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের গভীর অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের সঙ্গে রয়েছে অভিন্ন সীমান্ত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্বার্থ। এই ভারসাম্য বজায় রাখা ইসলামাবাদের জন্য একটি কৌশলগত বাধ্যবাধকতা। কিন্তু এই ভারসাম্যই এখন তার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
55
Image Credit : X
মুনিরের তৎপরতা এমন এক সময়ে বেড়েছে যখন আমেরিকা-ইরান আলোচনার পরবর্তী পর্বের প্রস্তাব রয়েছে এবং ট্রাম্পের সম্ভাব্য অংশগ্রহণের কথাও শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান কি সত্যিই শান্তির সেতু হতে পারবে, নাকি তার দ্বৈত সম্পর্ক এই সংকটকে আরও জটিল করে তুলবে, সেটাই দেখার। আপাতত, ওয়াশিংটনের কড়া নজর রয়েছে মুনিরের প্রতিটি পদক্ষেপের উপর। আর এটাই এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় সাসপেন্স।
Latest Videos

