Ciara Mageean Dies: ক্রীড়াজগতে শোকের ছায়া। মাত্র ৩৪ বছর বয়সেই প্রয়াত আয়ারল্যান্ডের তারকা অ্যাথলিট কিয়ারা মেগিয়ান। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন ২ বারের অলিম্পিয়ান তথা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন। গত বছর তাঁর শরীরে ধরা পড়ে স্টেজ-ফোর ক্যান্সার
Ciara Mageean Dies: ক্রীড়াজগতে শোকের ছায়া। মাত্র ৩৪ বছর বয়সেই প্রয়াত আয়ারল্যান্ডের তারকা অ্যাথলিট কিয়ারা মেগিয়ান। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন দু'বারের অলিম্পিয়ান তথা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন। আজ রবিবার, ১ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুর সময় পরিবারের সদস্যরাই ছিলেন তাঁর পাশে। উত্তর আয়ারল্যান্ডের কাউন্টি ডাউনের পোর্টাফেরির বাসিন্দা কিয়ারা মূলত ১৫০০ মিটার দৌড়ে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছিলেন। ২০২৫ সালের মে মাসে তাঁর শরীরে ধরা পড়ে স্টেজ-ফোর বাওয়েল ক্যান্সার। ওই বছরের জুলাইয়ে নিজেই অসুস্থতার কথা প্রকাশ্যে আনেন তিনি। পরে ২০২৬ সালের জুনে জানান, রোগটি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
মাসখানেক আগেই বিয়ে করেন কিয়ারা
অসুস্থতার মধ্যেও জীবনের আনন্দকে উপভোগ করতে ভোলেননি কিয়ারা। মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে, গত ১২ অক্টোবর বেলফাস্ট সিটি হলে দীর্ঘদিনের সঙ্গী থমাস মোরানকে বিয়ে করেন তিনি। পরিবারের তরফে সমাজমাধ্যমে জানানো হয়েছে, কিয়ারা ছিলেন এক প্রিয় কন্যা, বোন, স্ত্রী ও বন্ধু। একই সঙ্গে অগণিত মানুষের কাছে তিনি ছিলেন অনুপ্রেরণা।
দেখুন ভিডিও
ট্র্যাকে সোনালী সাফল্য ও ইতিহাস
অ্যাথলেটিক্সের ট্র্যাকে তাঁর সাফল্যের তালিকাও দীর্ঘ। ২০১৬ সালের রিও এবং ২০২০ সালের টোকিও অলিম্পিক্সে আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন কিয়ারা। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিক্সে অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অ্যাকিলিসের চোটের কারণে শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়াতে হয় তাঁকে। তবে ২০২৪ সালেই ইউরোপীয় অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ১৫০০ মিটারে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েন তিনি। সনিয়া ও'সুলিভানের পর এই বিভাগে ইউরোপ সেরা হওয়া দ্বিতীয় আইরিশ মহিলা অ্যাথলিট কিয়ারা। এর আগে ২০১৬ সালে ব্রোঞ্জ এবং ২০২২ সালে রুপো জিতেছিলেন। ২০২২ সালের কমনওয়েলথ গেমসেও রুপো পেয়েছিলেন তিনি। ৮০০, ১০০০, ১৫০০ মিটার এবং মাইল দৌড়ে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় রেকর্ডও রয়েছে তাঁর দখলে।
দেখুন খবরটি
শোকের ছায়া
তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছে অ্যাথলেটিক্স আয়ারল্যান্ড এবং অলিম্পিক ফেডারেশন অফ আয়ারল্যান্ড। জীবনের শেষ দিনগুলোতেও কিয়ারা বলেছিলেন, হাতে যতটুকু সময় রয়েছে, তা পুরোপুরি বাঁচতে চান। তাঁর সেই লড়াই, সাহস আর জীবনকে ভালোবাসার মানসিকতাই আজ ক্রীড়াজগতের কাছে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।






