মোজাম্বিকে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় চিডো মায়োটে ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে এনেছে। শত শত, সম্ভবত হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে। ২০০ কিমি/ঘণ্টা বেগে ঝড়ো হাওয়া বাড়িঘর ও অন্যান্য ভবন ধ্বংস করে দিয়েছে।

মোজাম্বিকে রবিবার ভোরে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় চিডোর কারণে তুমুল ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এটি হিন্দ মহাসাগরে ফ্রান্সের অঞ্চল মায়োটে মৃত্যুর তাণ্ডব চালিয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি রাতারাতি মোজাম্বিক চ্যানেল পার হয়ে উত্তরের শহর পেম্বা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে পৌঁছেছে। এতে এটি আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

স্থানীয় মিডিয়া চ্যানেল Mayotte La 1ere-কে ফরাসি আধিকারিক ফ্রাঁসোয়া-জেভিয়ার ব্যুভিল বলেন, মায়োটে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কয়েকশ লোক, সম্ভবত হাজার হাজার লোক মারা গেছে। তিনি বলেন, "আমার মনে হয় নিশ্চিতভাবে এই সংখ্যা শত শত হবে। সম্ভবত আমরা এক হাজার বা এমনকি কয়েক হাজারে পৌঁছে যাব।"

Scroll to load tweet…

ঘূর্ণিঝড় চিডোর গতিবেগ ২০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, ঝড়ের কারণে মৃতের সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। ঘূর্ণিঝড় চিডো রাতারাতি মায়োটে বিপর্যয় ঘটিয়েছে। এই সময় বাতাসের গতি ছিল ২০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার বেশি। এতে অনেক বাড়িঘর, সরকারি ভবন এবং একটি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি এই দ্বীপে ৯০ বছরের মধ্যে আসা সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড়। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে অনেক এলাকায় বন্যা হয়েছে। মানুষ খাবার ও জল পাচ্ছে না।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একজন আধিকারিক আগে বলেছিলেন, মৃতের সংখ্যার দিক থেকে এই বিষয়টি জটিল হতে চলেছে। মায়োটের বেশিরভাগ মানুষ মুসলিম। এখানে মৃতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কবর দেওয়া হয়।

প্যারিস থেকে প্রায় ৮,০০০ কিলোমিটার দূরে মায়োট

মায়োট ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস থেকে প্রায় ৮,০০০ কিলোমিটার দূরে। মায়োট ফ্রান্সের বাকি অংশের তুলনায় বেশ দরিদ্র। এটি কয়েক দশক ধরে গ্যাং হিংসা এবং সামাজিক অস্থিরতার সঙ্গে লড়াই করছে। এখানে এই বছরের শুরুতে জলের ঘাটতির কারণে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছিল।