Venezuela Crisis: ভেনেজুয়েলার অবস্থাও কি যুদ্ধবিধ্বস্ত, ইরাক (Iraq), সিরিয়া (Syria), লিবিয়ার (Libya) মতো হয়ে যাবে? সেই আশঙ্কা বাড়ছে। কারণ, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে (Nicolás Maduro) আটক করেই থেমে থাকছে না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA)।

DID YOU
KNOW
?
ভেনেজুয়েলায় পুতুল সরকার
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে ভেনেজুয়েলায় পুতুল সরকার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তেলের ভাণ্ডার দখল করাই ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য।

Venezuela News: প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো (Nicolás Maduro) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (USA) বিশেষ বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর কি এবার ভেনেজুয়েলায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল? এই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ, লাতিন আমেরিকার এই দেশের রাজধানী কারাকাসে (Caracas) মিরাফ্লোরেস প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের (Miraflores presidential palace) কাছে ড্রোন দেখা গিয়েছে। গুলির আওয়াজও পাওয়া গিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের বাসভবনের কাছে মোতায়েন নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ফলে গুলি চলে থাকতে পারে। কিন্তু ড্রোন কোথা থেকে এল, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। ফলে কারা নতুন করে হামলা চালাল, সে বিষয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ভেনেজুয়েলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু ঠিক কী হয়েছিল, সে বিষয়ে ভেনেজুয়েলা প্রশাসনও স্পষ্ট কিছু বলছে না।

অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণের পরেই গুলি

ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজ (Delcy Rodriguez) অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। তাঁর শপথ গ্রহণের কিছুক্ষণ পরেই প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের উপর দিয়ে ড্রোন উড়ে যেতে দেখা যায়। সেই ড্রোন লক্ষ্য করে গুলি চালান নিরাপত্তারক্ষীরা। তারপর নতুন করে আর কোনও বিপত্তি ঘটেনি। কিন্তু কোথা থেকে ড্রোন এল, কারা পাঠিয়েছিল, কী উদ্দেশ্যে ছিল, সে বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। যেদিন ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডন্ট শপথ গ্রহণ করলেন, সেদিনই মাদুরোকে নিউ ইয়র্কের (New York) ফেডেরাল কোর্টে পেশ করা হয়। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যূত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মাদক তৈরিতে মদত দেওয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মার্কিন হেফাজতেই মাদুরো

নিউ ইয়র্কের আদালতে মাদুরো বলেছেন, 'আমি নির্দোষ। আমার কোনও দোষ নেই। আমি একজন সজ্জন ব্যক্তি। আমি এখনও আমার দেশের প্রেসিডেন্ট।' তবে তাঁর কথা শুনে কোনও রায় দেয়নি আদালত। ১৭ মার্চ ফের তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। ততদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারেই থাকতে হচ্ছে ভেনেজুয়েলার ক্ষমতা হারানো প্রেসিডেন্টকে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।