India China Relation: ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার ডাক দিল বেজিং। ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে হওয়া আলোচনাকে এবার 'কাজে পরিণত' করতে হবে। একই সঙ্গে, ব্রিকসের সভাপতিত্বের জন্য ভারতকে সমর্থন করার কথাও জানিয়েছে চিন। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।

India China Relationship: ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দিল বেজিং। দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে হওয়া আলোচনাকে এবার 'কাজে পরিণত' করার কথা বললেন ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত জু ফেইহং। মঙ্গলবার চিনা পিপলস লিবারেশন আর্মির ৯৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। 

ভারত-চিন সম্পর্ক নিয়ে কী বললেন চিনের রাষ্ট্রদূত?

জু ফেইহং বলেন, "আমাদের নেতারা যে বিষয়ে একমত হয়েছেন, সেগুলোকে কাজে পরিণত করার জন্য আমরা ভারতের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। এর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নতি হবে।" তিনি আরও জানান, ব্রিকসের চেয়ার হিসেবে ভারতের দায়িত্বকে চিন সমর্থন করে এবং এই গোষ্ঠীর উন্নয়নে সবরকম সাহায্য করতে প্রস্তুত। চিনা রাষ্ট্রদূতের কথায়, সম্প্রতি দুই দেশের শীর্ষ নেতার দেখানো পথে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদানপ্রদান ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। আলোচনা ও সহযোগিতাও এগোচ্ছে এবং সীমান্ত এলাকায় মোটের ওপর শান্তি বজায় আছে। তিনি ভারত ও চিনকে "গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী" এবং "গ্লোবাল সাউথের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য" হিসেবে উল্লেখ করেন। 

ভারতকে সহযোগিতার হাত বাডা়চ্ছে চিন! 

তিনি বলেন, "দু'জন ভালো প্রতিবেশী ও অংশীদার হিসেবে একে অপরকে সাহায্য করলে দুই দেশের মানুষেরই মৌলিক স্বার্থ রক্ষা হয় এবং বিশ্বে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।" গত বছর কেরালার উপকূলে একটি কার্গো জাহাজে আগুন লাগার পর ১২ জন চিনা নাবিককে উদ্ধার করার জন্য তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানান। দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বানও জানান তিনি। ইউ জিয়ান বলেন, "আমরা ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক এবং সামরিক চ্যানেলের মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখতে ইচ্ছুক। আলোচনার মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা বাড়ানো এবং সহযোগিতাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য।" 

Vegetables Tips: সবজি সেদ্ধর জল ফেলে দিচ্ছেন? এই একটা ভুলে ঘর থেকে পুষ্টি আর টাকা দুটোই বেরিয়ে যাচ্ছে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের পর ভারত ও চিনের সম্পর্কে যে গতি এসেছে, তার মধ্যেই এই মন্তব্যগুলো সামনে এল। দুই দেশই ধীরে ধীরে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য আলোচনা চালাচ্ছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।