Melania Trump on Epstein:  মেলানিয়া ট্রাম্প জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তাঁর নাম জড়ানোর যাবতীয় জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এপস্টাইনের সঙ্গে তাঁর কোনওদিন বন্ধুত্ব বা অন্য কোনও সম্পর্ক ছিল না এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় যা ছড়াচ্ছে, তা পুরোপুরি মিথ্যে। 

আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প অবশেষে জেফরি এপস্টাইন বিতর্কে মুখ খুললেন। তাঁর সঙ্গে কুখ্যাত যৌন অপরাধী এপস্টাইনের নাম জড়িয়ে যে সব খবর ছড়াচ্ছে, সেগুলোকে সরাসরি 'মিথ্যে' বলে দাবি করেছেন তিনি। মেলানিয়া জানিয়েছেন, এপস্টাইন বা তার সঙ্গীর সঙ্গে তাঁর কোনওদিনই কোনও সম্পর্ক ছিল না।

মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া এফস্টিন সম্পর্কে

এক বিবৃতিতে মেলানিয়া বলেন, "আমার সঙ্গে কুখ্যাত জেফরি এপস্টাইনের নাম জড়িয়ে যে মিথ্যেগুলো ছড়ানো হচ্ছে, তা আজই বন্ধ হওয়া দরকার। যারা আমার নামে মিথ্যে রটাচ্ছে, তাদের কোনও নৈতিকতা, বিনয় বা সম্মানবোধ নেই... আমি কখনওই এপস্টাইনের বন্ধু ছিলাম না।" তিনি আরও বলেন, "নিউ ইয়র্ক সিটি এবং পাম বিচের মতো জায়গায় একই পার্টিতে মাঝে মাঝে ডোনাল্ড এবং আমার সঙ্গে এপস্টাইনের দেখা হয়েছে। কারণ সেখানকার সোশ্যাল সার্কেলে এটা খুবই সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু এপস্টাইন বা তার সঙ্গীর সঙ্গে আমার কোনওদিনই কোনও সম্পর্ক ছিল না।"

নিজের বক্তব্যের সমর্থনে মেলানিয়া বলেন, এপস্টাইন সংক্রান্ত কোনও আদালতের নথি, সাক্ষ্য, ভিকটিমদের বয়ান বা এফবিআই-এর ইন্টারভিউতে তাঁর নাম কখনও আসেনি। তিনি বলেন, "সোশ্যাল মিডিয়ায় বছরের পর বছর ধরে এপস্টাইনের সঙ্গে আমার অনেক জাল ছবি আর মিথ্যে কথা ঘুরছে। আপনারা কী বিশ্বাস করছেন, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। এই সব ছবি আর গল্প পুরোপুরি মিথ্যে। আমি এপস্টাইনের কোনও অপরাধের সাক্ষী নই।"

এতদিন মুখে কুলুপ

বৃহস্পতিবার এই বিবৃতি দেওয়ার আগে মেলানিয়া এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কখনও কিছু বলেননি। সিএনএন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে একটি অনুষ্ঠানে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি এড়িয়ে গিয়েছিলেন। তবে এর আগেও এপস্টাইনের সঙ্গে তাঁর নাম জড়ানোর চেষ্টার বিরুদ্ধে তিনি মামলা করেছেন। এই ধরনের প্রচারকে তিনি 'বিদ্বেষমূলক এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বলে উল্লেখ করেছেন।

প্রসঙ্গত, এপস্টাইন এর আগে এক নাবালিকাকে যৌনকর্মে জড়ানোর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে তাঁকে যৌন পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। বিচার চলাকালীন কয়েক সপ্তাহ পরেই জেলে তাঁর মৃত্যু হয়, যা আত্মহত্যা বলে জানানো হয়েছে।