Nepal Disaster: নেপালে প্রাকৃতিক বিপর্যয় নতুন কোনও ঘটনা নয়। প্রায়ই ভূমিকম্প, ভূমিধসের খবর পাওয়া যায়। এবার ভয়াবহ হড়পা বানে বিপর্যয় নেমে এল। নেপালে এই ধ্বংসযজ্ঞে শতাধিক ভারতীয় নিখোঁজ। নেপাল সীমান্তবর্তী বিহার (Uttar Pradesh) ও উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
KNOW
Nepal Flash Floods News: নেপালে হড়পা বানের ফলে যে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে বিহার (Uttar Pradesh) ও উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) ভারত-নেপাল সীমান্তে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভয়ঙ্কর স্রোত পার্বত্য অঞ্চল থেকে সমতলের দিকে এগিয়ে চলেছে। এই কারণে বিহার ও উত্তরপ্রদেশ সরকার সতর্ক। বিহারের মুখ্যসচিব প্রত্যয় অমৃত জেলাশাসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন। গণ্ডক ও কোশি নদী অববাহিকার অন্তর্গত জেলাগুলির আধিকারিকদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। ভারত-নেপাল সীমান্তের নদীগুলিতে জলস্তর বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলির বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে তৈরি রাখা হয়েছে।
নেপালে নিখোঁজ শতাধিক ভারতীয়
নেপালের উত্তর প্রান্তের রাসুওয়া জেলায় তিব্বত সীমান্তের কাছে বুধবার ভয়াবহ হড়পা বানে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ৪০০ জন নিখোঁজ। নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ১০৫ জন ভারতীয় আছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রবল জলস্রোতে বাড়িঘর, গাড়ি, সেতু এবং বিভিন্ন পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাসুওয়া জেলার প্রশাসনিক কর্তা নরেন্দ্র পারিয়ার জানিয়েছেন, বিভিন্ন গ্রাম এবং পরিকাঠামো প্রকল্পের অঞ্চল ভেসে যাওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ মাত্রা এখনও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। প্রাণহানি বা সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। তিব্বত সীমান্তের কাছে অবস্থিত তিমুরে বাজার এবং সংলগ্ন শুল্ক অঞ্চল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত বছরের ভয়াবহ বন্যার পর নতুন করে নির্মাণ করা রাসুওয়াগাড়ি অঞ্চলের ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজটিও এবার ফের বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে।
বুধবার সকালে হঠাৎ বিপর্যয়
নেপালের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল ন'টা নাগাদ তিব্বতের দিক থেকে আসা প্রবল জলস্রোত ভোতে কোশি নদীতে ঢুকে পড়ে। এতে তিমুরে ও স্যাপ্রু বেসি অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। একই সময়ে গিরিয়ং সীমান্ত ক্রসিংয়ের কাছে তিব্বতেও একটি ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে হতাহতের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন নিখোঁজ হয়েছেন বলে চিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা জিনহুয়া জানিয়েছে। এই হড়পা বানের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগ জানিয়েছে, রাসুওয়ায় অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এই হড়পা বান এসেছে, এমন সম্ভাবনা কম। তবে উপগ্রহচিত্রে তিব্বতের দিকে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের প্রমাণ মিলেছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


