- Home
- World News
- International News
- Iran Attack: রণকৌশলে বড় বদল ইরানের! ইজরায়েলকে দিনভর ব্যতিব্যস্ত রাখতে নতুন পরিকল্পনা
Iran Attack: রণকৌশলে বড় বদল ইরানের! ইজরায়েলকে দিনভর ব্যতিব্যস্ত রাখতে নতুন পরিকল্পনা
New Iranian Strategy: মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক 'ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অফ ওয়ার'-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ইজরায়েলের উপর একবারে বড়সড় মিসাইল হামলা না করে, ইরান হয়তো সারাদিন ধরে ছোট ছোট হামলা চালাবে।

যুদ্ধের কৌশল বদল
এবার যুদ্ধের কৌশল বদল করতে চলেছে ইরান। তেমনই দাবি করেছে মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক 'ইনস্টিটিউট ফর দ্যা স্টাডি অফ ওয়ার। ' এবার থেকে ইরান আর ইজরায়েলের ওপর বড়সড় হামলা চালাবে না। তবে হামলা প্রতিহত করার জন্য দিনভর ব্যস্ত রাখবে।
দিনভর হামলা
আমেরিকার এক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক, 'ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অফ ওয়ার' (ISW) তাদের বিশ্লেষণে জানিয়েছে, ইরান হয়তো ইজরায়েলের উপর একবারে অনেকগুলো মিসাইল না ছুঁড়ে, সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে হামলা চালাতে পারে।
ইজরায়েলের ওপর চাপ তৈরি করা
এর আসল উদ্দেশ্য হল ইজরায়েলের সাধারণ মানুষের উপর মানসিক চাপ তৈরি করা। যাতে তারা বারবার শেল্টারে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় এবং দেশটা সারাক্ষণ একটা আতঙ্কের মধ্যে থাকে।
ইরানের টার্গেট ইজরায়েলের সাধারণ মানুষ
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইজরায়েলের উপর হামলায় ইরানের ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার এটাই প্রমাণ করে যে, তারা ইজরায়েলের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে নিশানা করতে পারছে না। তাই সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ছড়ানোর পথ বেছে নিয়েছে।
বড় হামলা চালাতে
ISW-এর মতে, "ইরানের বড় আকারের মিসাইল হামলা চালানোর ক্ষমতা সীমিত। তাই তারা ছোট ছোট হামলা চালিয়ে তার সর্বোচ্চ প্রভাব ফেলার চেষ্টা করছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে, এমনকি কয়েক ঘণ্টা বিরতি দিয়েও এই হামলা চালানো হতে পারে। এর ফলে ইজরায়েলিদের দিনের মধ্যে বহুবার শেল্টারে দৌড়তে হবে।"
আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার জের
এই কৌশলকে 'অপ্রতুল' (suboptimal) বলে উল্লেখ করে রিপোর্টে বলা হয়েছে, আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরানের মিসাইল হামলা চালানোর ক্ষমতা অনেকটাই নষ্ট করে দিয়েছে। এই কারণেই ইরান এখন আর আগের মতো বড় আকারের হামলা চালাতে পারছে না।
ক্লাস্টার বোমা বেশি ব্যবহার করছে ইরান
রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, "যুদ্ধে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের ক্লাস্টার বোমার ব্যবহার বাড়ছে। এর কারণ সম্ভবত এটাই যে, ইরান ইজরায়েলের নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারছে না। তাই তারা সাধারণ মানুষের মধ্যে মানসিক আতঙ্ক তৈরি করতে চাইছে।"
ইউক্রেন ও সৌদির চুক্তি
এরই মধ্যে, ২৭ মার্চ ইউক্রেন এবং সৌদি আরব একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতির দপ্তর জানিয়েছে, এই চুক্তির আওতায় ইউক্রেন সৌদি আরবকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে সাহায্য করবে। এছাড়া প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের বিষয়েও কথা হয়েছে।
ইরান মাটির নিচ থেকে মিসাইল বার করছে না
রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন ও ইজরায়েলি যৌথ বাহিনী ইরানের মিসাইল হামলা চালানোর ক্ষমতাকে ক্রমাগত ব্যাহত করছে। যেমন, মাটির নিচের গোপন ঘাঁটি থেকে মিসাইল লঞ্চার বের করার চেষ্টাও আটকে দেওয়া হচ্ছে। ২৭ মার্চ মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) একটি ফুটেজ প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, বুলডোজার এবং লোডারের উপর হামলা চালানো হয়েছে। ইরান সম্ভবত এই যন্ত্রগুলো ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ থেকে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছিল।
ইরানের পারমাণবিক পরিকাঠামোতে হামলা
একই দিনে, অর্থাৎ ২৭ মার্চ, ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস (IDF) ইরানের পারমাণবিক পরিকাঠামোর উপর হামলা চালায়। এর মধ্যে প্লুটোনিয়াম উৎপাদন এবং ইউরেনিয়াম ফুয়েল সাইকেলের সঙ্গে যুক্ত সাইটও ছিল। IDF আরাক প্রদেশের আরাক হেভি ওয়াটার প্রোডাকশন ফেসিলিটিতে হামলা চালায়। এর আগে জুন ২০২৫-এর ইজরায়েল-ইরান যুদ্ধের সময়েও এই সাইটে হামলা হয়েছিল, যা ইরান সারানোর চেষ্টা করছিল। এছাড়াও ইয়াজদ প্রদেশের আরদাকান ইয়েলোকেক প্রোডাকশন প্ল্যান্টেও হামলা চালানো হয় বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

