পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম ব্যক্তির জীবনাবসান মারা গেলেন নেপালের খগেন্দ্র থাপা মগর মাত্র ২৭ বছর বয়সেই মৃত্যু উচ্চতায় ছিলেন মাত্র ৬৭ সেন্টিমিটার

জীবন অবসান হল বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মানুষের। চলে গেলেন নেপালের খগেন্দ্র থাপা মগর। শুক্রবার রাতে নেপালের পোখরা শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় খগেন্দ্রর। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল মাত্র ২৭ বছর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বেশ কিছুদিন ধরেই নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন খগেন্দ্র। রাজধানী কাঠমন্ডু থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে পোখরার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। পোখরা শহরেই বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন তিনি। 

দেখুন ভিডিও: ডুয়ার্সের চাবাগানে মিলল জোড়া শাবক, খাঁচা বন্দি স্ত্রী চিতাবাঘ

খগেন্দ থাপা মগর উচ্চতায় ছিলেন মাত্র ৬৭ সেন্টিমিটার। ওজন ছিল ৬ কেজি। ২০১০ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কমিটি তাঁকে বিশ্বের সবথেকে খর্বকায় ব্যক্তির স্বীকৃতি দেয়। সেই সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। 

যদিও পরের বছরেই খগেন্দ্র থেকে সেই স্বীকৃতি ছিনিয়ে নেন ফিলিপিন্ডেসর জুনরে বালাওইং। জুনরের উচ্চতা ছিল ৫৯.৯৩ সেন্টিমাটর। আর ওজন ছিল মাত্র ৫ কেজি।

১৯৯২ সালের ১৪ অক্টোবর পোখরাতেই জন্ম হয় খগেন্দ্রর। উচ্চতা নিয়ে ছোটবেলা থেকেই অনেক কটাক্ষ শুনতে হত তাঁকে। যদিও গিনেস রেকর্ডের পর বিখ্যাত হয়ে যান তিনি। তাঁর নামে তৈরি করা হয় একটি ফাইন্ডেশনও। নেপালে তিনি খুবই জনপ্রিয় ছিলেন।

দেখুন ভিডিও: সনিয়া গান্ধীর দৃষ্টান্ত অনুসরণ করুন, সিনিয়র আইনজীবীর উপদেশের কড়া জবাব দিলেন নির্ভয়ার মা

খগেন্দ্রর বাবা রূপ বাহাদুর জানান, জন্মের সময় খগেন্দ্র একোটাই ছোট ছিল যে তাঁকে হাতের তালুতেই ধরে রাখা যেত। গিনেস বুকে নাম ওঠার পর সেলিব্রিটি হিসেবে ইউরোপ ও আমেরিকার একাধিক দেশ ভ্রমণ করেন তিনি। 

নেপালের রাষ্ট্রীয় পর্যটন ক্যাম্পইনেও কাজে লাগানো হয়েছিল খগেন্দ্রকে। ক্যাম্পেইনে বলা হয়, খগেন্দ্র নেপালের সবচেয়ে ছোট মানুষ, যা কিনা আবার পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু পর্বত মাউন্ট এভারেস্টের দেশ। খগেন্দ্রর মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন তার অনেক অনুরাগী। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছে গিনেজ বোর্ড। দুঃখ প্রকাশ করেছে নেপাল সরকার।