তরুণদের সুযোগ প্রাপ্তি-
দুই দলই কালকের ম্যাচে সুযোগ দিয়েছিলেন তরুণ ক্রিকেটারদের। রাজস্থানের হয়ে যশস্বী জয়সওয়াল এবং চেন্নাইয়ের হয়ে ঋতুরাজ গায়কোয়াড সুযোগ পান ম্যাচ খেলার। কিন্তু দুজনেই প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন। 

স্যামসনের দাদাগিরি-
ব্যাট হাতে চেন্নাই বোলারদের রীতিমতো পিটিয়ে মাঠের বাইরে ফেললেন সঞ্জু স্যামসন। এই ম্যাচে মাত্র ১৯ বলে অর্ধশতরান পূরণ করেন তিনি। বিশেষ করে পীযূষ চাওলাকে তুলোধুনা করে বার বার গ্যালারিতে পাঠিয়েছেন তিনি। 

পরিণত স্মিথ-
মাথায় বল লাগার অস্বস্তি কাটিয়ে ফিরে আইপিএলে প্রথমবারের জন্য ওপেন করতে নামেন স্মিথ। সঞ্জু স্যামসনের মারকাটারী ইনিংসের সময় তিনি যথেষ্ট পরিণতবোধ দেখিয়েছেন। যদিও মারার বল পেলে ছেড়ে দেননি স্মিথ। শেষ ওভার অবধি ক্রিজে থাকতে না পারলেও বড় রানের মঞ্চ গড়ে দিয়ে আসেন তিনি। 

ব্যাট হাতে তান্ডব জোফ্রা আর্চারের-
ম্যাচের শেষ ওভারে ব্যাট হাতে লুঙ্গি এনগিডির ওপর তান্ডব চালান আর্চার। তার ৮ বলে ২৭ রানের ইনিংসই ম্যাচের মূল টার্নিং পয়েন্ট। 

চেন্নাই ওপেনারদের ব্যর্থতা-
গতকাল চেন্নাইয়ের হয়ে ভালো শুরু করেন আউট হয়ে ফেরেন ওয়াটসন। অনেকক্ষণ ক্রিজে থেকেও হতাশ করেন তিনি। এই রকম হাই স্কোরিং ম্যাচে ওপেনারদের মধ্যে অন্তত একজন বড় ইনিংস না খেললে জেতার সম্ভাবনা কমে যায় যা আজ আবার প্রমাণিত হল। 

অতিরিক্ত আক্রমণের কুফল-
চার নম্বরে আজ চেন্নাইয়ের হয়ে ব্যাট করতে নেমেছিল স্যাম করন। ভালো শুরু করলেও স্পিনারদের অতিরিক্ত আক্রমণ করতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে আসেন তিনি। ঠিক একই কাজ করেন এবং ব্যর্থ হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড

একা কুম্ভ ফ্যাফ-
গত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও শেষ অবধি থেকে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান। কিন্তু ধোনি এবং কেদার যাদবের কাছ থেকে যথেষ্ট সাহায্য না পাওয়ায় হতাশ হতে হয় তাকে। 

ধোনির ভুল স্ট্র্যাটেজি-
গতকাল আম্পায়ারদের সাথে বির্তকে জড়িয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। পরে ব্যাট হাতেও ছন্দ হাতড়ে বেড়াচ্ছিলেন সিএসকে অধিনায়ক। আক্রমণাত্মক হলেন এমন সময় যখন ম্যাচে চেন্নাইয়ের হার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। 

আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ-
রাজস্থানের ব্যাটিংয়ের সময় ১৮ তম ওভারের পঞ্চম বলে চাহারের ডেলিভারিতে রাজস্থানের টম কারান আউট হন। ধোনি কট বিহাইন্ডের আবেদন জানান। আম্পায়ার সেই সময় আউট দিলেও, কারান বল তাঁর ব্যাটে লাগেনি বলে দাবি করেন। এরপরই মাঠের আম্পায়াররা জায়ান্ট স্ক্রিনে রিপ্লে দেখে তৃতীয় আম্পায়ারের সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এতেই তীব্র প্রতিবাদ জানান ধোনি। রাজস্থান দলের রিভিউ বাকি না থাকলেও কীভাবে আম্পায়ার আউট দিয়েও তৃতীয় আম্পায়ারের সাহায্য চাইলেন জানতে চান ধোনি। পরে ভিডিওতে ধরা পড়ে ফলস ক্যাচের দাবি জানিয়েছিলেন মাহি।

রাহুল তেওটিয়ার স্পিন ভেলকি-
এক সময় ভয়ংকর দেখানো স্যাম করন এবং নবাগত ঋতুরাজ গায়কোয়াডকে পরপর দু বলে ফিরিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন তেওটিয়া। মার খাওয়া সত্ত্বেও তার সাহসী লেগ স্পিন বোলিংয়ের দৌলতেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নিয়ে ম্যাচে জাকিয়ে বসেছিল রাজস্থান