উত্তমা চক্রবর্তী, জলপাইগুড়ি: কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নয়, ভিন রাজ্য থেকে ফিরে আলাদা থাকছিলেন বাড়িতে। হোম কোয়ারেন্টাইন থাকাকালীন রহস্যজনকভাবে মারা গেলেন এক পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে।

আরও পড়ুন: 'চা খেলেই করোনা থেকে মুক্তি', সমাজসেবী সংগঠনের উদ্যোগে সাড়া পড়েছে মেদিনীপুরে

মৃতের নাম দিলীপ মজুমদার। বাড়ি, ধূপগুড়ি ব্লকের সাঁকোয়াঝোরা ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। কেরলের নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন দিলীপ। লকডাউনের জেরে সেখানে কর্মহীন থাকতে হয় বেশ কয়েকদিন। শনিবার কেরল থেকে বাড়িতে ফেরেন ওই পরিযায়ী শ্রমিক। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সরকারি নিয়ম মেনে রান্নাঘরে স্বামীকে কোয়ারেন্টাইনে থাকার ব্যবস্থা করে দেন দিলীপের স্ত্রী। আর পাঁচ বছরের সন্তানকে তিনি নিজে আশ্রয় নেন প্রতিবেশীর বাড়িতে।  

আরও পড়ুন: করোনার আতঙ্ক নয়, কোয়ারেন্টাইনে পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে আশাকর্মীরা

জানা গিয়েছে,  রোজকার মতোই সোমবার সকালেও যখন দিলীপকে খাবার দিতে তাঁর স্ত্রী, তখন স্বামীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। আর্থিক অনটনের কারণে কি আত্মহত্যা করলেন কেরলের কর্মরত নির্মাণশ্রমিক? শুরু হয়েছে তদন্তে। এদিকে এই ঘটনার মৃতের বাড়ি গিয়ে স্ত্রীর হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেন  ধূপগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধক্ষ্য সীমা চৌধুরী।