এসএসকেএম হাসপাতালের শৌচালয় থেকে উদ্ধার হল এক প্রৌঢ়ের ঝুলন্ত দেহ। ১৪ই জুলাই রাত আড়াইটে-র সময় ওই ব্যাক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। হাসপাতাল সুত্রে জানা গিয়েছে মৃত ব্যক্তির নাম কার্ত্তিক মিস্ত্রি। তিনি সোনারপুরের কোদালিয়ার শান্তিনগরের বাসিন্দা। ১ জুলাই হাসপাতালের কার্ডিও থোরাসিক ভাস্কিউলার সার্জারি বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। এই বিভাগের শৌচালয় থেকেই উদ্ধার হয় কার্তিকের দেহ।

৫৬ বছর বয়সী এই প্রৌঢ় রাতে শৌচালয়ে যান। তারপরে অনেকটা সময় কেটে যাওয়ার পরেও তাকে ফিরতে না দেখে অন্যান্য রোগীরা শৌচালয়ে গিয়ে দরজা ধাক্কাতে থাকে। কিন্তু তার সাড়া না মেলায় হাসপাতালের ওয়ার্ডেনকে ডেকে আনেন। শৌচালয়ের দরজা বন্ধ দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। ভবানীপুর থানার পুলিশ এসে দরজা ভেঙে শৌচালয়ে প্রবেশ করলে ঝুলন্ত অবস্থায় কার্তিকের দেহ উদ্ধার করে। জরুরি বিভাগের চিকিৎসককে ডেকে পাঠালে তিনি কার্তিককে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর দেওয়া হয় কার্তিকের পরিবারকে। 

ঘটনার তদন্ত করছে ভবানীপুর থানার পুলিশ। তবে, মৃত্যুর ধরন নিয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই সব প্রশ্নের উত্তর সামনে আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কিছুদিন আগে আরও একটি রহস্য মৃত্যুর ঘটনা শোনা গিয়েছিল বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সে। সেখানেও ওই একইভাবে শৌচালয় ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় অম্বরীশ দে নামে এক ব্যাক্তির দেহ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার এই ঘটনা। বার বার কেন এমন ঘটনা ঘটছে তা খতিয়ে দেখেছে পুলিশ। ঘটনা যাই ঘটে থাকুক না কেন সত্যিটা সামনে আসবেই এমনটাই জানিয়েছেন ভবানীপুর থানার পুলিশ কর্তারা।  
রোগীর আত্মীয়রা হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইতিমধ্যেই। কিভাবে একজন রোগী একা একা শৌচালয়ে গেল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। ঘটনার সময় ওয়ার্ডেন কি করছিল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন রুগীর আত্মীয় পরীজনেরা।