গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য় ছড়াল যাদবপুরে রাত দুটোতে  কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ পান আবাসনবাসী  আবাসনের পাশ থেকে উদ্ধার হল বধুর রক্তাক্ত দেহ পুলিশ মৃতদেহকে ময়নাতদন্তের জন্য় পাঠিয়েছে  

গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য় ছড়াল যাদবপুরে। বহুতল আবাসনের পাশ থেকে উদ্ধার করা হল সুইটি আচার্য নামের গৃহবধুর রক্তাক্ত দেহ। বর্ষবরণের রাতে দেদার পার্টির শেষে, মঙ্গলবার মধ্য়রাতে এই ঘটনাটি ঘটে। ইতিমধ্য়েই পুলিশ মৃতদেহকে ময়নাতদন্তের জন্য় পাঠিয়েছে। তবে কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, বরফ গলার ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট, নতুন বছরে রাজ্যপালকে ফুল ও মিষ্টি উপহার মুখ্যমন্ত্রীর

সূত্রে জানা গিয়েছে, যাদবপুরের একটি বহুতল আবাসনে স্বামী-স্ত্রী মিলে থাকতেন। বর্ষপূর্তি উপলক্ষে তাদের আবাসনের ছাঁদে একটি পার্টির আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার রাতে, সেখানে পার্টি শুরুর থেকেই ওই দম্পতি উপস্থিত ছিলেন। তারপর প্রায় মধ্য় রাত অবধি চলে মদ্য়পান। ধীরে ধীরে সেখান থেকে সবাই ঘরে ফেরে। কিন্তু অতিরিক্ত মদ্য়পানের জেরে সুইটি দেবীর স্বামী কুন্তল আচার্য , প্রায় অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন ছাদেই। রাত দুটো নাগাত ওই আবাসনবাসী, খুব জোরে উপর থেকে কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ পান। তারপরে, আবাসনবাসী বাইরে বেরিয়ে কিছুই দেখতে পাননি। তারপর ভোর রাতে কুন্তল বাবুর হুশ ফিরলে স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে সবাইকে জানান। এরপর ওই আবাসনের থেকে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তল্লাশি চালায়। প্রাথমিকভাবে কিছু না পাওয়া গেলেও , আবাসনের পাশের থেকেই উদ্ধার হয় সুইটি দেবীর মৃতদেহ। 

আরও পড়ুন, নববর্ষের প্রথম দিনেই ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম, মাথায় হাত মধ্যবিত্তের

তবে দুর্ঘটনা , আত্মহত্যা নাকি খুন করা হয়েছে সুইটি দেবীকে, সে ব্য়াপারে এখনও ধোঁয়াশায় পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। পুলিশি সূত্রে জানা গিয়েছে তদন্তের জন্য় কথা বলা হচ্ছে মৃতার স্বামীর সঙ্গে। ইতিমধ্যেই হোমিসাইড ও ফরেনসিক আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসেছেন। উল্লেখ্য়, আজকাল শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছাদে পার্টি করার হুজুক বাড়ছে। কিন্তু এই ধরণের পার্টির করার ক্ষেত্রে সবসময় বিপদের সম্ভবনা থাকে। তাই পুলিশের অনুমতি ছাড়া এই রুফটপ পার্টি করা নিষিদ্ধ। তবে অনেকেই সেই নির্দেশ উপেক্ষা করেই বাড়ির ছাদে পার্টির আয়োজন করছেন। তাই ক্রমশই শহরে বাড়ছে, এই ধরনের দুর্ঘটনা। এ বিষয়ে আরও তৎপর হয়েছে পুলিশ প্রশাসন।