জালিয়াতি চক্রের পর্দাফাঁস করল বেলঘরিয়া থানার পুলিশ   এটিএম জালিয়াতির ব্য়বসা শুরু করেছিল চার যুবক  ইতিমধ্য়েই ওই চার যুবককে  গ্রেফতার করা হয়েছে ধৃতদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশ ও বাকিরা তুরস্কের বাসিন্দা  

জালিয়াতি চক্রের পর্দাফাঁস করল বেলঘরিয়া থানার পুলিশ। রাজ্য়ে ও রাজ্য়ের বাইরে, এটিএম জালিয়াতির ব্য়বসা শুরু করেছিল চার যুবক। মুম্বই পুলিশ সূত্রে খবর পেয়ে, ওই চার যুবককে ইতিমধ্য়েই গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশের বাসিন্দা এবং বাকি দুজন তুরস্কের বাসিন্দা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, কলকাতার আকাশে টাকার বৃষ্টি, পড়ল ৫০০, ২০০০-এর নোট

জানা গিয়েছে যে, চলতি মাসের ১৪ তারিখ উত্তর ২৪ পরগনার বেলঘরিয়া থানা সংলগ্ন এলাকার একটি আবাসনের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিল ওই চার যুবক। আবাসনের কারও সঙ্গেই কোনও যোগাযোগ রাখত না তাঁরা। অবশ্য় আবাসনের কেউ ওই চার যুবককে নিয়ে সন্দেহও করেননি। এরপর মুম্বই পুলিশের তরফে বেলঘরিয়া থানায় যোগাযোগ করা হয়। যুবকদের খোঁজে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ওই চার যুবকের মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে অভিযুক্তদের সন্ধান পায় তদন্তকারীরা। খবর পেতেই আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয় চার যুবককে। তাদের থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৭৫ লক্ষ টাকা। পুলিশের সন্দেহের তালিকায় রয়েছে ওই আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীরাও। ধৃতদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে অনুমান করে নিরাপত্তারক্ষীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন, পড়াশোনা নিয়ে প্রায়ই বকাবকি, মানতে না পেরে মায়ের শাড়ি জড়িয়ে আত্মঘাতী ছাত্র

সূত্রের খবর, ধৃতরা এটিএম জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত। ধৃত দুই বাংলাদেশি যুবক শহরের বিভিন্ন ছোট-বড় রেস্তরাঁ, শপিংমলগুলিতে ঘুরে বেড়াতো। ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের নম্বর জোগাড় করাই ছিল তাদের প্রধান কাজ। তাপপর ওই নম্বর জোগাড় করে কার্ডের নম্বর তারা চালান করত তুর্কির যুবকদের। কার্ডের নাম্বার ব্য়বহার করে একটি বিশেষ সফটওয়ারের মাধ্য়মে তারা ব্য়াঙ্ক থেকে টাকা তুলে নিত। আর তারপর সেই টাকা বদলে ফেলা হত ডলারে। এই ভাবেই তারা বহুদিন ধরে রমরমিয়ে জালিয়াতির ব্য়বসা ফেঁদেছিল। তবে শুধু এরাজ্য়ে নয়, রাজ্য়ের বাইরেও তারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল।