অবশেষে বরফ গলল বিজেপির অন্দরে। বিজেপি আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনীতে শোভনকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাত্য রাখা হয়। আর এটাকে ঘিরেই শুরু মান-অভিমান। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় নের্তৃত্বের ঘনিষ্ঠ হওয়া সত্বেও বিজেপির একাংশ শোভন-বৈশাখীর অস্বস্তির অন্যতম কারণ। তবে বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ এর সঙ্গে বৈশাখীর ফোনে কথা বলতেই এক ঝটকায় বুজিয়ে দিল বিতর্কের আগুন। দিলীপ ঘোষকে মধ্যাহ্নভোজের আমন্ত্রণ করলেন বৈশাখী।

আরও পড়ুন, করোনা টিকা নিয়ে মোদী-মমতার বৈঠক মঙ্গলবার, ক্ষোভ উগরে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী

 

 


'বিভাজনের চেষ্টা করছে দলের ভিতরেই কেউ কেউ'

 

 বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই জানিয়েছেন, দিলীপদা অনেকবার ফোন করেও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি বলে আমি শুনেছি। তাই আমি নিজেই ফোন করেছিলাম। দিলীপদাও তখন একই কথা বললেন।' বৈশাখী আরও বলেন, একটা বিভাজনের চেষ্টা দলের ভিতরেই কেউ কেউ করছিলেন। এবং তার দায়টা দিলীপদার উপরে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু আমি ফোন করতেই সে চেষ্টা ব্যর্থ হল। আগামী দিনে দিলীপদার নের্তৃত্বেই আমরা দলের হয়ে কাজ করব।

 

আরও পড়ুন, ' ভালবাসা সম্পূর্ণ ব্য়াক্তিগত বিষয়', 'লাভ জেহাদ' নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ নুসরতের

 

বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়ছে শোভনের

 

অপরদিকে, বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়ছে শোভন চট্টোপাধ্য়ায়ের। সব কিছু ঠিক-ঠাক থাকলে এবছরের শেষের দিকেই বিজেপির হয়ে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যাবে শোভন চট্টোপাধ্য়ায়কে। প্রসঙ্গত, শোভনকে চট্টোপাধ্য়ায়কে সক্রিয় করার চেষ্টায় বিজেপি নের্তৃত্ব শুক্রবার রাতে শোভন-বৈশাখির সঙ্গে দেখা করার জন্য তাঁদের ফ্ল্যাটে যান বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক অরবিন মেনন এবং রাজ্য সম্পাদক রাজ্য সাধারণ (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী। শুক্রবার অরবিন্দ মেননদের বৈঠকই সেই ধারাণা আরও শক্তিশালী করে তুলেছে রাজনৈতিক মহলে। আর রাত পেরোতেই শনিবার নিজে মুখেই দিলীপ ঘোষ জানালেন, 'শোভন দা ভারতীয় জনতা পার্টিতে রয়েছেন। ওনি কীভাবে কাজ করতে চান, সেজন্য ওনার বাড়িতে আমার দলের নেতার  কথা বলেছেন।  তিনি এত বছরের প্রবীণ নেতা। আশা করি একুশের ভোটে আমরা তাকে লড়াইয়ে পাব।'