বালিগঞ্জ ম্যান্ডেভিলা গার্ডেনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে সাংগঠনিক মিটিং সারলেন বাবুল সুপ্রিয়। এদিন উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী।  

বালিগঞ্জ ম্যান্ডেভিলা গার্ডেনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে সাংগঠনিক মিটিং সারলেন বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo)। এদিন উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী। সেখানে বালিগঞ্জের ম্যান্ডেভিলা গার্ডেনের আবাসিকদের নিয়ে তিনি মিটিং করলেন। তাদের সঙ্গে গান গাইলেন এবং আশ্বস্ত করলেন তাকে ভোটে জিতিয়ে নিয়ে আসলে এই এলাকার বিধায়ক হিসেবে তিনি উন্নয়ন করবেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রবিবার বালিগঞ্জ ম্যাডাস্কোয়ারের ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডে হোলির একটি অনুষ্ঠানে এসে সস্ত্রীক খাওয়া-দাওয়া করলেন বাবুল সুপ্রিয়। এবং এবং এখানকার লোকেদের সঙ্গে গানও গাইলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনের প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। অফহোয়াইট গলায় কাজ করা পাঞ্জাবি পরে একেই বারেই বাঙালিয়ানায় গান গাইলেন , কাটলেট সহ আরও অনেক কিছু খেলেন এদিন সস্ত্রীক বাবুল সুপ্রিয়। উল্লেখ্য, রবিবার বালিগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে ভোট প্রচারও করলেন তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়।৬৪ নম্বর ওয়ার্ডে ডোর টু ডোর জনসংযোগ করলেন বাবুল সুপ্রিয়। মানুষের সঙ্গে কথা বললেন এবং তাদের সুবিধা-অসুবিধা কোথাও সাধারণ লোক তাকে বলেছেন। তার পাশাপাশি বাচ্চাদের সঙ্গে ছবি তোলেন বাবুল।

আরও পড়ুন, কয়লাপাচারকাণ্ডে ফের সস্ত্রীক অভিষেককে তলব ইডি-র, সোমবারই দিল্লি যাচ্ছেন তৃণমূলের যুবরাজ

অপরদিকে, এদিনই রাজ্য়ে আসছেন আসানসোলের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। রবিবার সন্ধ্য়ে সাড়ে সাতটায় মুম্বই থেকে অন্ডাল বিমানবন্দরে নামবেন শত্রুঘ্ন সিনহা। এরপরেই আসানসোলের গ্র্যান্ড হোটেলে উঠবেন। তারপর সোমবার নিজের মনোনয়ন জমা দেবেন এই তারকা প্রার্থী। তবে ভারতীয় ছবির এই লেজেন্ডকে দেখার জন্য উৎসাহের শেষ নেই আসানসোলবাসীর। তবুও সেলেব প্রার্থী হলেই যে অবধারিত ভাবে জয় আসে, কিংবা সাধারণ যাকে দেখে ভিড় জমান , তাকেই আদতে নির্বাচনে ভোট দিয়ে জেতান, এই কনসেপ্টটা একুশের বিধানসভার ভোটের পর কার্যত বদলে গিয়েছে। তাই প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে সমীকরণ কি বদলাবে, নাকি আসানসোলে একুশের ফলই প্রভাব ফেলবে বাইশের ভোটেও।

যদিও বিরোধী তথা এককালিনের গেরুয়া শিবিরের সহকর্মীরা ইতিমধ্যেই বাবুলকে নানাছুতোয় নিশান করেছেন। বাবুল প্রসঙ্গ উঠতেই শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে কোনওদিন নামাবলী গায়ে চড়াতে হয়নি। নোয়াখালীতে গিয়ে ফেজটুপি পড়তে হয়নি মহাত্মা গান্ধীকেও। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রক্রিয়া। এখন পশ্চিমবাংলায় সংখ্যালঘু ভোটের দিকে তাঁকিয়ে রাজনীতি হচ্ছে।' প্রসঙ্গত, এবার বালিগঞ্জ বিধানসভা থেকে এবার উপনির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন। সুব্রত মুখোপাধ্যায় প্রয়াত হবার পর মূলত ওই বিধানসভার আসন খালি রয়েছে। এদিকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বিস্তর জলঘোলা হয়েছে, যে কোথা থেকে দাঁড় করানো হচ্ছে বাবুলকে। কারণ মাঝে আরও নির্বাচন গেছে, কিন্তু বাবুলের কোনও প্রার্থীপদ ঘোষণা না হওয়ায় খোঁচা দিতে ছাড়েননি প্রাক্তন সহকর্মী তথা বিজেপির শীর্ষ নের্তৃত্ব।