আজ বিজেপির মহিলা মোর্চার তরফ থেকে সল্টলেকের স্বাস্থ্যে ভবনের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তীর কাছে একটি ডেপুটেশন দেওয়া হয়।এই ডেপুটেশনের নেতৃত্বে ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল।চার জনের প্রতিনিধি দল গিয়ে দেখা করেন এবং বেশ কিছু পরামর্শ দেন বলে তার দাবি।

অগ্নিমিত্রা পাল জানান, অমানবিক পরিস্থিতি যেগুলো তৈরি হচ্ছে সেগুলো জানানো হয়েছে। আমরা কয়েকটা আইডিয়া দিয়েছি সেটা নিয়ে কাজ করা উচিত।রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে বেড রয়েছে কিন্তু রোগী গেলে বলছে বেড নেই, এটা কেন হবে।কোভিড রোগী সরাসরি হাসপাতালে যেতে পারবে না। ওখানে একটা টোল ফ্রি নম্বর দেওয়া আছে, সেই নম্বরে ফোন করে আগে কথা বলতে হবে।  ওরা বেডের ব্যবস্থা করলে তবেই পাবে।এটা আমাদের কারো জানা ছিল না।

বলা হয়েছে এই নম্বরটাকে বিজ্ঞাপনে দিন, যাতে সবাই জানতে পারে।দ্বিতীয় সাজা দেওয়া ।যাদের জন্য এই অমানবিক ঘটনাগুলো ঘটছে মানুষ মারা যাচ্ছে,তাদের সাজা দিতে হবে।কারণ এই রাজ্যে শাস্তি বলে জিনিস নেই। তাই আমরা বলেছি, যাদের জন্য প্রাণ গেছে তাদের শাস্তি দিতে হবে।তৃতীয়, কোথায় কোথায় টেস্ট হচ্ছে কেউ জানে না।উনি বলেছেন আজ সেই তথ্য ওয়েবসাইটে দিয়ে দেবে।

হতে পারে আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি মহিলা মোর্চার তরফ থেকে এসেছি আমরা সরকারের বিরোধী পার্টি।আজ আমরা এখানে এসেছি বাংলার মানুষ হিসাবে।আমরা হাতে হাত লাগিয়ে কাজ করতে চাই।আমরা অনেকে এই প্রস্তাব দিয়েছি যে আপনি বলুন আমরা কি কাজ করতে পারি।আমার সমস্ত মহিলা মোর্চার মেয়েরা এগিয়ে আসবে আপনি যেমন কাজ বলবেন।কারণ বাংলার মানুষকে বাঁচাতে হবে।এখন রাজনীতি করে ওকে নেবনা কাজে এটা করলে চলবে না ।আমরা আমাদের তরফ থেকে এগিয়ে এসেছি সরকারের সাথে কাজ করতে।