কালীঘাট থানায় সুজিত সামের করা এফআইআরের প্রেক্ষিতে আগামী ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে তদন্তের প্রয়োজনে কালীঘাট থানা মুকুলকে ডাকলেও ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত  গ্রেফতার করা যাবে না মুকুলকে।

রাত ফুরোলেই উঠবে পারদ, বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই

সিডি কাণ্ডে প্রায় আড়াই মাস স্বস্তিতে বিজেপি নেতা মুকুল রায়। খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন ছাড়া এই মামলায় মুকুলকে কালীঘাট থানায় ডাকা যাবে না বলেও আদালত জানিয়েছে। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে বলেন, আগামী ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত  মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে এই মামলায় কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

বাঁকুড়ায় ট্যাঙ্ক বিপর্যয়ে আধিকারিকদের ভর্ৎসনা মুখ্যমন্ত্রীর, সিএএ বিরোধী মিছিল দুর্গাপুরে

বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মুকুলের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, অহেতুক মুকুলকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। মুকুলকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেও কোনও সূত্র পায়নি পুলিশ। যা শুনে সরকারি কৌসুলি শাশ্বত গোপাল মুখোপাধ্যায় বলেন, সুজিত সামকে কে ফোন করেছিল সেই ব্যক্তিকে এখনও চিহ্নিত করা যায়নি৷ এই বিষয়ে তদন্ত প্রক্রিয়াা চলছে। তদন্তে সময় লাগবে৷ তাই কোর্ট বরং মুকুলকে কালীঘাট থানার সঙ্গে তদন্তে সহযোগিতা করতে নির্দেশ দিক। 

সিঁথি কান্ডের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী আশুরা বিবি নিখোঁজ, তদন্তে লালবাজার

দু'পক্ষের বক্তব্য শুনে কোর্ট এদিন নির্দেশ দেয়, আগামী ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত মুকুলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন ছাড়া (তদন্তের জন্য বিশেষ প্রয়োজনে) থানায় ডাকা যাবে না মুকুলকে। থানায় তাঁকে ডাকতে গেলে এক সপ্তাহ আগে নোটিশ দিতে হবে পুলিশকে। তৃণমূলে থাকাকালীন মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন সুজিত সাম। পরবর্তীকালে ঘাসফুল ছেড়ে মুকুল পদ্ম শিবিরে নাম লেখান। এরপরই মুকুলের বিরুদ্ধে কালীঘাট থানায় অভিযোগ জানান সুজিত সাম। 

সুজিতের অভিযোগ, অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি তাঁকে ফোন করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কিছু সিডি প্রমাণ স্বরূপ দিতে চেয়েছিলেন। যার পরিবর্তে মোটা অঙ্কের অর্থ চেয়েছিলেন তিনি। ওই ব্যক্তিকে দিয়ে ফোন করিয়ে মুকুল রায় তাঁকে ফাঁসাতে চাইছেন। তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া  এফআইআর থেকে নাম খারিজের জন্য মুকুল রায় কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন।