নেতাদের থেকে শালীনতা, মার্জিত ভাষা, শ্লীল শব্দের প্রয়োগ এইগুলি আশা করাই ভুল। আমাদের বর্তমান পরম্পরাই তাই বলে। বিনয় কোঙার, অনিল বসুর মতো বাম নেতারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সুযোগ পেলে অশ্রাব্য কথা বলতেন। সেই দলে নাম লেখালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রী ব্রাত্য বসুও, সাংস্কৃতিক কর্মী মার্জিত ভদ্রলোক বলে যারা আপাত পরিচয়। 

ব্রাত্য বসু মঙ্গলবার দমদম ফোয়ারা মোড়ে তৃণমূল ক্লাব সমন্বয় সমিতির অনুষ্ঠানে বলেন, 'সিপিএম হল ডাল কুত্তাদের দল। আজকে গলায় গেরুয়া ভিত্তি করে পাড়ায় পাড়ায় সন্ত্রাস চালানোর চেষ্টা করছে। ওদের এই হার্মাদ ও সিপিএমের ডাল কুত্তাদের আপনারা ক্ষমা করবেন না। আপনারা জেনে রাখবেন পশ্চিমবঙ্গের একটি শান্তিময় সাংস্কৃতিক পরিবেশ আছে তা অশান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে গেরা নির্বাচনে জয়-পরাজয় হয় তবে আমাদের সমান স্পিরিটে নিতে হবে। এই জয় পরাজয় আমাদের শিক্ষা দেবে।' বিখ্যাত নাট্যকার ব্রাত্য বসুর এমন মন্তব্যে স্তম্ভিত সাংস্কৃতিক মহল। অনেকে বলছেন ব্রাত্য বসুর বাবা, একজন মান্য বুদ্ধিজীবী শ্রীবিষ্ণু বসুই তো সারাজীবন সিপিএম করেছেন। তার ক্ষেত্রে উনি কি এই মন্তব্যই পোষণ করবেন?

পড়ুন অন্য খবরঃ 'জয় শ্রীরাম' নিয়ে অশান্তি, আবার পুলিশের গুলি! হিংসায় উত্তাল গুড়াপ

এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে, সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, 'তৃণমূলের নেতা হতে গেলে এটাই প্রথম ক্রাইটেরিয়া। অশ্রাব্য কথা বলতেই হবে। আসলে এটাই পতনের শুরু।' ফোন রাখার সময় সুজন চক্রবর্তী বলে উঠলেন, 'রাবিশ'।

প্রসঙ্গত নেটিজেনরাও  ব্রাত্য বসুর এই মন্তব্য খুব ভাল ভাবে নেয়নি। ব্রাত্য বসু 'বোমা', 'উইঙ্কেল টুইঙ্কেল'-এর মতো নাটকের শ্রষ্ঠা একজন বিদগ্ধ সাংস্কৃতিক কর্মী যে এই ধরনের মন্তব্য করতে পারে তা অনেকের কল্পনারও অতীত।