ক্রমশই বেড়ে চলেছে মৃত্যুর হার। পরিস্থিতি এমনই যে মর্গেও ঠাঁই হচ্ছে না মৃতদেহের। সূত্র বলছে, গত দুদিনে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার জেরে মর্গে দেহ রাখার জায়গা নেই। বেগতিক দেখে এবার নতুন ৬টি ডিপ ফ্রিজ বসানোর সিদ্ধান্ত নিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের বন্দির মৃত্যু,করোনার উপসর্গ থাকায় আতঙ্কে কর্তৃপক্ষ

মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে খবর,  হাসপাতালের মর্গ এবং অ্যানাটমি বিভাগে মোট ৫টি দেহ রাখার ব্যবস্থা আছে৷ যা দেখে দ্রুত মৃতদেহ রাখার বাড়তি ব্যবস্থা করতে আবেদন জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয় স্বাস্থ্য দফতরকে৷ ইতিমধ্য়েই সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে৷ সবুজ সংকেত পেয়েই  মৃতদেহ রাখার জন্য ৬টি ডিপ ফ্রিজ বসানোর কাজ শুরু করেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ৷ সব মিলিয়ে এখন হাসপাতলে মোট ১১টি মৃতদেহ রাখার জায়গা হল৷

রাজ্যে চালু হচ্ছে হকার্স মার্কেট, বড় দোকানগুলোকেও ছাড়পত্র মুখ্য়মন্ত্রীর.

প্রশ্ন উঠেছে কেন  হঠাৎ এই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হল হাসপাতালকে। সম্পূর্ণ কোভিড হাসপাতাল  ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বেসরকারি হাসপাতাল থেকে রোগীকে মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হচ্ছে বলে খবর। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই  চিকিৎসা শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যে তাদের মৃত্যু ঘটছে। ফলে বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। সব মিলিয়ে রাজ্যে কোভিড হাসপাতালের সংখ্যা ৬৮ হলেও কলকাতার ওপরই চাপ বেশি।

লকডাউন ফোর-এ বড় ঘোষণা, রাজ্য়ে সেলুন-বিউটি পার্লার খোলার অনুমতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

কারণ পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্য়ের অর্ধেকের বেশি করোনা আক্রান্ত কলকাতার বাসিন্দা। কলকাতাতেই মৃতের হার যথেষ্ট বেশি। যার ফল ভুগতে হচ্ছে কলকাতার হাসপাতালগুলিকে। সম্পূর্ণ কোভিড হাসপাতাল ঘোষণা হওয়ার পর এই মেডিক্যালে ভর্তির হার আরও বেড়েছে। তাই লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।