বাড়িতে বসে বই খুলে দেওয়া যাবে পরীক্ষা। প্রশ্নপ্ত্র দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্য়ে দিতে হবে উত্তর। রাজ্য়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষার্থীদের জন্য় এমনই নিয়মে সায় দিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। যদিও এই খবর প্রকাশ্য়ে আসতেই প্রবল সমালোচনা শুরু হয়েছে শিক্ষা মহলে।

রাজ্য়ে করোনা আবহে একের পর এক পরীক্ষা বাতিল হয়েছে। স্কুল , কলেজে সংক্রমণের আশঙ্কায় বন্ধ রাখা হয়েছে ক্লাস। ইউজিসি-র গাইড লাইন অনুযায়ী দেশের সব কলেজ, বিশ্ববিদ্য়ালয়গুলিকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের পরীক্ষা শিক্ষাবর্ষের মধ্য়েই নিতে হবে। সেই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আপাতত সিদ্ধান্ত  হয়েছে,  রাজ্য়ের কলেজ ও বিশ্ববিদ্য়ালয়গুলিতে বাড়িতে বসেই পরীক্ষার উত্তর দেওয়া যাবে। বই খুলেই এই উত্তর লিখতে পারবে পরীক্ষার্থীরা।  এমনকী সেই কলেজ বা বিশ্ববিদ্য়ালয়ের শিক্ষকরাই দেখবে ছাত্রছাত্রীদের খাতা।

ইতিমধ্য়েই এই বিষয়ে রাজ্য়ের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়। ঠিক হয়েছে, ১ থেকে ১৮ অক্টোবরের মধ্যে পরীক্ষা শেষ হবে। ই-মেল বা হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর জমা দিতে হবে। কেউ অনলাইনে উত্তর জমা করতে না পারলে, হার্ড কপি জমা দিতে হবে নির্দিষ্ট কলেজ বা বিশ্ববিদ্য়ালয়ে গিয়ে।  

যদি শিক্ষা মহলের একাংশ বলছে,এটা একপ্রকার পরীক্ষার নামে প্রহসন। পড়ুয়ারা বই দেখে পরীক্ষা দিলে তাদের গুনগত মান কীভাবে যাচাই হবে। পরবর্তীকালে চাকরির ইন্টারভিউতে এই ছাত্ররা নম্বরের জন্য় আলাদা সুবিধা পাবে। অন্য়ান্য ছাত্রদের সমতুল্য় নম্বর পেলেও এদের মান নিয়ে প্রশ্ন করবে খোদ বিগত বছরের ছাত্ররাই।