বার বার ডেকেও লাভ হয়নি। হাইকোর্টে রাজীব কুমারের রক্ষাকবচ উঠতেই তাঁর পার্কস্ট্রিটের বাড়িতে হানা দিল সিবিআইয়ের কর্তারা। সূত্রের খবর,রাজীব কুমারকে নোটিশ ধরাতেই সিবিআইয়ের দুজন আধিকারিক ঢুকেছিলেন ডেপুটি কমিশার সাউথ ডিভিশন ভবনে। 

বর্তমানে এডিজি সিআইডি পদে রয়েছেন রাজীব কুমার। পদাধিকার অনুযায়ী,ভবানীভবনে থাকার কথা রাজীবের। কিন্তু ছুটিতে থাকায় এখন ৩৪ পার্কস্ট্রিট ডেপুটি কমিশনারের বিল্ডিংয়েই থাকেন তিনি। সূত্রে খবর, এদিন বাড়িতে পাওয়া যায়নি রাজীব কুমারকে। তিনি যাতে বাইরে যেতে না পারেন , তার জন্য লুকআউট নোটিশ জারি করা হতে পারে। 

রক্ষাকবচের স্থগিতাদেশ রইল না , সিবিআই চাইলেই রাজীবকে গ্রেফতার

ন্যূনতম বেসিক হচ্ছে ১৭ হাজার, সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির সুখবর দিলেন মমতা

শুক্রবার দুপুরেই রাজীবের রক্ষাকবচের স্থগিতাদেশের আর্জি খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। এরপরই কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে জেরা করতে তৎপর হয় সিবিআই।  এদিন হাইকোর্টে বিচারপতি মধুমতী মিত্রর পর্যবেক্ষণে বলা হয়,  বিধাননগরের তৎকালীন সিপি  রাজীব কুমার সিটের সদস্য ছিলেন। সেই সময় মামলায় যুক্ত থাকা যে সিনিয়র অফিসাররা ছিলেন, তারা অনেকেই সিবিআই দফতরে হাজিরা দিয়েছেন। একজন দায়িত্বশীল অফিসার হিসেবে রাজীব কুমারের উচিত তদন্তে সাহায্য করা। তাই শুধুমাত্র রাজীবকে যে টার্গেট করা হয়েছে এটা প্রতিষ্ঠিত নয়। সিবিআই তাদের এক্তিয়ারের মধ্যেই কাজ করছে৷ ফলে আদালতের এক্ষেত্রে কিছু বলার নেই। সিবিআই ৪১ এ তে রাজীবকে নোটিশ দিয়েছিল। নোটিশ দেওয়া মানেই গ্রেফতারি নয়।
 রাজীবকে বারবার তদন্তের জন্য নোটিশ দেওয়া মানেই গ্রেফতার নয়। সিবিআইয়ের বারবার প্রশ্ন করা তো তদন্তেরই অঙ্গ। এতে রাজীবের যে মৌলিক অধিকার খর্ব হচ্ছে,তা মোটেই নয়।

বাঁদরের কামড়ে জখম বিধায়ক, পাগল বাঁদর চিনতে 'কামান দাগা'

২০০০ সালের চিঠি পৌঁছল ২০১৯-এ, মেসেজ পেয়ে হতবাক প্রেরক

২০১৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারদা মামলার তদন্তভার হাতে পায় সিবিআই। সিবিআই শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছে, সারদা কেসের তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে অন্যতম বাধা রাজীব কুমার। প্রথম থেকেই তদন্তে সহযোগিতা করছেন না তিনি। নোটিশ দিলেও নানা বাহানা দেখিয়ে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে চাইছেন না। এখন আর সিবিআইয়ের তদন্তে বাধা রইল না। প্রয়োজনে তাঁকে গ্রেফতার করতে পারে সিবিআই।