দ্বন্দ্ব এখন অতীত কথা। কো-মর্বিডিটির পর এবার মমতার কথাতেই সিলমোহর দিল কেন্দ্রীয় সরকার। যার ফলে এবার থেকে রাজ্য়ের কন্টেনমেন্ট জোন ঠিক করতে পারবে পশ্চিমবঙ্গ। আগের মতো কন্টেনমেন্ট জোনের  সংখ্যা বা তথ্য় নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য়ের এ নিয়ে সংঘাত হবে না।  

পাঞ্জা কষছে মাঞ্জা, শহরে চিনা ঘুড়ির সুতোয় প্রথম বলি স্কুটার চালক.

রবিবার চতুর্থ দফার লকডাউন ঘোষণার পরই কন্টেনমেন্ট জোন ভাগ করার দায়িত্ব রাজ্য সরকারগুলির উপরই ছেড়ে দিয়েছে কেন্দ্র। দেশের সাম্প্রতিক অতীত বলছে, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্য়গুলির বৈঠকে কন্টেনমেন্ট জোন ভাগ করার দায়িত্ব রাজ্য়ের হাতে দেওয়া উচিত বলে দাবি  করেছিলেন মুখ্য়মন্ত্রী।পশ্চিমবঙ্গ বাদেও বেশকিছু রাজ্য় মমতার এই যুক্তিকে সমর্থন  জানিয়েছিল। অবশেষে রাজ্যগুলির হাতেই কন্টেনমেন্ট জোন ভাগ করার দায়িত্ব দিল মোদী সরকার। 

ফুঁসছে আমফান, নবান্ন কন্ট্রোল রুমের থেকে কড়া নজরদারি, বিপদের সংকেত দক্ষিণবঙ্গে.

নতুন নিয়ম অনুসারে রেড, গ্রিন, অরেঞ্জ জোন কোথায় হবে, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক। রাজ্যের কোন এলাকায় রেড, অরেঞ্জ, কন্টেনমেন্ট জোন হবে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়। 

তবে এই প্রথমবার নয়। অতীতে রাজ্য় বিজেপি মমতার করোনা অডিট কমিটির বিরোধিতা করলেও পরে খোদ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় মন্ত্রকই এই বিষয়ে সায় দেয়। দেখা যায়, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় মন্ত্রকের বুলেটিনেও কো-মর্বিডিটি  শব্দটা রাখা হয়। মানে কোনও ব্যক্তির দেহে মৃত্যুকালে কোভিড পজিটিভ পাওয়া যাওয়া মানেই তার করোনায় মৃত্যু নাও হতে পারে। অন্য কোনও রোগের কারণেও তার মৃত্যু স্বাভাবিক। 

রাজ্য়ে ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৬, করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১০১

যদিও আগে এই তথ্যের মাধ্য়মে রাজ্য়ে করোনায় মৃত্যুর আসল পরিসংখ্য়ান লুকোনো হচ্ছিল বলে দাবি করেছিল বিজেপির রাজ্য় নেতৃত্ব। তাদের অভিযোগ করোনায় মৃতদের আসল সংখ্যা লুকোতেই করোনার অডিট কমিটি গড়েছে মমতার সরকার।