জেল থেকে জামিনে ছাড়া পেলেও ছত্রধর মাহাতোর মাথায় ঝুলছে জঙ্গলমহলের পুরনো দুটি মামলা। ২০০৯ সালে লালগড়ের ধরমপুরে খুন হয়েছিলেন সিপিএম নেতা প্রবীর মাহাতো। অন্যদিকে, একই বছর দিল্লি-ভুবনেশ্বর রাজধানী এক্সপ্রেস ছিনতাইয়ের চেষ্টা। এই দুটি ঘটনাতে নাম জড়িয়েছিল জনসাধারণ কমিটির নেতা ছত্রধর মাহাতোর নাম। ইউএপিএ মামলায় আগে শালবনী কোবরা ক্যাম্পে জেরা করেছিল এনআইএ।

আরও পড়ুন-করোনায় থাবায় ভার্চুয়ালে পুজো উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর, কোন দিন-কোন ক্লাবের পুজো উদ্বোধন মমতার

NIA-এর জেরার মধ্যেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন বর্তমানে তৃণমূলে রাজ্য কমিটির সম্পাদক ছত্রধর মাহাতো। তাঁকে বিশেষ আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দিয়েছিল নগর দায়রা আদালতের এনআইএ-র বিশেষ আদালত। নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সোমবার তাঁকে করোনার রিপোর্ট সহ আদালতে হাজিরা দিতে। কিন্তু এনিয়ে তৃতীয়বার এনআইএ আদালতের হাজিরা এড়ালেন। আইনজীবী মারফত তিনি নগর দায়রা আদালতের বিচারককে জানিয়েছেন, তিনি এখন করোনা মুক্ত, তবুও তাঁর শরীর এখনও অনেক দুর্বল আছে। ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতা এতদূর রাস্তার পরিবহন সমস্যাও রয়েছে। তাই তাঁকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হোক। এনআইএ আদালতকে জানিয়েছেন ছত্রধর মাহাতো।

আরও পড়ুন-পুজোর ঢাকে পড়ল কাঠি, চেতলা অগ্রণী ক্লাবে পুজোর উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

লালগড়ের জনসাধারণ কমিটির নেতা কথা তৃণমূল নেতা ছত্রধর মাহাতোর বিরুদ্ধে দশ বছরের আগের পুরনো মামলা তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইএ। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে গত অগাস্টে টানা দুদিন শালবনী কোবরা ক্যাম্পে জেরা করেছিল এনআইএ-র তদন্তকারীরা। এরপর, ছত্রধর মাহাতোকে মামলায় ৩০ জন অভিযুক্ত সহ আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেয় এনআইএ আদালত। কিন্তু তিনি করোনা পজিটিভ থাকায় আদালতে উপস্থিত থাকলেও বিচারকের সামনে সশরীরে হাজিরা দেয়নি ছত্রধর। এরপর, সোমাবার করোনার রিপোর্ট সহ তাঁকে আদালতে হাজিরার  নির্দেশ দেয় বিচারক। কিন্তু এনিয়ে তৃতীয়বার হাজিরা এড়ালেন বর্তমান এই তৃণমূল নেতা।