দেশের পর রাজ্য়বাসীকেও গ্রাস করেছে করোনা আতঙ্ক। করোনা আক্রান্ত সন্দেহে একের পর এক রোগী ভর্তি হচ্ছে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। রাজ্য়ের বিভিন্ন হাসপাতালেও তৈরি করা হয়েছে 'আইসোলেশন ওয়ার্ড'। বেগতিক বুঝতে পেরে এবার করোনা নিয়ে সতর্ক হয়েছে সোনাগাছিও। বিদেশি গ্রাহক দেখলেই ফেরাচ্ছে 'দর্জি পাড়ার মর্জিনারা।' 

বাধা দিচ্ছে করোনা আতঙ্ক, পুরভোট পিছোনোর দাবি তুলবে তৃণমূল

দেহ ব্যবসাতেই তাদের জীবন ধারণ। খদ্দের না থাকলে ধাক্কা খাবে ব্যবসা। অথচ গ্রাহক পেয়েও বিছানায় যাচ্ছে না সোনাগাছির সেক্স ওয়ার্কাররা। পাছে কোনও খদ্দেরের করোনা থাকে এই ভয় গ্রাস করেছে তাদের। ভিতরের খবর, ঘরে 'আইটেম ডান্স' দেখেই এখন মাস্ক পরে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে খদ্দেরকূলের। ছোঁয়া ছানি তো দূর, চোখের দেখা দেখেই মর্জিনাদের আলবিদা করছে গ্রাহকরা।

পুরভোট পিছোনোর কথা বলবে না বিজেপি, নয়া চালে তৃণমূলকে মাত মুকুলের

পরিসংখ্যান বলছে, করোনা নিয়ে আতঙ্কের কারণ রয়েছে নিষিদ্ধ পল্লীর। ইতিমধ্য়েই বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে করোনা সন্দেহে ভর্তি রয়েছেন ১২ জন। কদিন আগেই সৌদি থেকে মুর্শিদাবাদে ফিরে করোনা সন্দেহে মারা গিয়েছেন জিয়ারুল হক নামে এক যুবক। তার শরীরের নমুনা পরীক্ষা করে অবশ্য় করোনা ভাইরাসের জীবাণু মেলেনি। এদিকে নিত্য়দিন শহরের হাসপাতালে করোনা সন্দেহে ভর্তি হচ্ছেন বাইরে থেকে আসা ব্যক্তিরা। যার জেরে প্রতিটি হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি  রাখার কথা বলেছে স্বাস্থ্য় দফতর।  

প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সুখবর, ১ এপ্রিল থেকে 'পেনশন' দেবে রাজ্য়

সোনাগাছির এক দালাল জানাচ্ছে, করোনার জেরে ব্য়বসা লাটে উঠেছ নিষিদ্ধপল্লীর। সেক্স ওয়ার্কারদের খাবার জুটে গেলেও ভাত জোগাড় করতে অন্য কাজ করতে হচ্ছে তাদের। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় মুটে মজুরের কাজ করতেও পিছপা হচ্ছে না তারা। সোনাগাছি নিয়ে সমস্যায় পড়েছে এলাকার মদের কারবারীরা। আগে বাবুদের খুশি করতে হামেশাই অগ্রিম মদের বোতল আনিয়ে রাখত তারা। কিন্তু শরীরের ব্যবসায় টান পড়ায় নতুন করে মদ আনাচ্ছে না বিভিন্ন বাড়ির মালকিনরা। 

আপাতত প্রাণ বাঁচাতে বিছানা বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সোনাগাছি। সবার মুখেই এক কথা 'জান বাঁচি তো লাখো পায়ে'।