করোনা ভাইরাস নিয়ে সতর্ক এবার কলকাতা হাইকোর্টও। সোমবার থেকে হাইকোর্টের মূল গেটে শুরু হবে থার্মাল স্ক্রিনিং। যেহেতু পুরোপুরি কোর্ট বন্ধ রাখা সম্ভব নয়, তাই কোর্টের প্রবেশদ্বারেই থার্মাল স্ক্রিনিং করা হবে এবং করোনা উপসর্গ ধরা পড়লে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন, রাজ্যে ফের ঢুকছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, তৈরি হচ্ছে বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত 

সূত্রের খবর, হাইকোর্ট প্রশাসনের সিদ্ধান্ত, এখন থেকে শুধুমাত্র জরুরি মামলা ছাড়া অন্য কোনও মামলা শুনানির জন্য গ্রহণ করা হবে না। একই নিয়ম কার্যকর হবে সমস্ত নিম্ন আদালতেও। পাশাপাশি হাইকোর্ট সহ জেলা এবং নিম্ন আদালতগুলিতেও কর্মীদের জমায়েত কমাতে আদালতের বদলে বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ দিয়েছেন রেজিস্ট্রার জেনারেল রাই চট্টোপাধ্যায়। 

আরও পড়ুন, বাধা দিচ্ছে করোনা আতঙ্ক, পুরভোট পিছোনোর দাবি তুলবে তৃণমূল

প্রশাসনের মতে, আদালত চত্বরে প্রতিনিয়ত প্রচুর মানুষের জমায়েত হয়। তাই আদালতের জমায়েত থেকেও করোনা ভাইরাস ছড়াতে পারে। জমায়েত হলেও আদালত বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। তাই আদালতে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় কী কী করণীয়, তা ঠিক করতে রবিবার বিশেষ বৈঠকে বসেন কলকাতা হাইকোর্টের তিন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত, ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এবং সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বৈঠকেই ঠিক করা হয়, জরুরি মামলা ছাড়া আপাতত অন্য কোনও মামলার শুনানি হবে না।  আইনজীবীদের বলা হয়েছে, আদালত চত্বরে খুব প্রয়োজন না হলে মক্কেলদের সঙ্গে দেখা না করতে। অপরদিকে, এজলাসেও ভিড় কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  ওই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত এই নিয়ম কার্যকর থাকবে। আগামী শুক্রবার ফের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।‌ সুপ্রিম কোর্টও ইতিমধ্যেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কিছু মামলার শুনানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন, পুরভোট পিছোনোর কথা বলবে না বিজেপি, নয়া চালে তৃণমূলকে মাত মুকুলের