কলকাতায় ক্রমশ বাড়ছে করোনা ভাইরাস আতঙ্ক। সম্প্রতি আরও একজন এই রোগের উপসর্গ নিয়ে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোয়াবের নমুনা পরীক্ষা  না  করা অবধি চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হতে পারছেন না যে, চিন ফেরত ওই যুবক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা। এব্য়াপারে খুব সতর্ক রাজ্য় তথা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় মন্ত্রক। তাই এই রোগের উপসর্গ ধরা পড়লেই তাঁকে আইসোলেশনে পাঠানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন, কুয়াশায় ঢাকা শহরে তাপমাত্রা বাড়ল ৪ ডিগ্রি, কাল থেকে বৃষ্টি কলকাতায়


সূত্রের খবর, অপরদিকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে থাকা আগের তিনজনের সোয়াবের নমুনায় করোনা ভাইরাসের কোনও উপসর্গ পাওয়া যায়নি। গত মঙ্গলবার সন্ধেয়, তাই তাঁদের ছেড়ে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবুও তাঁদের বাড়িতে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়েছে। কয়েকদিন আগেই চিন থেকে ফিরেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের এক যুবক। তাঁর শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা যায়। সন্দেহের বশে তিনিও দেখাতে যান বেলেঘাটা আই হাসপাতালে। চিকিৎসকেরা তাঁকে আইসোলেশনে রেখে তাঁর নমুনা পরীক্ষা করছেন।  

আরও পড়ুন, ৩০ আইপিএস অফিসারের বদলির নির্দেশ, নবান্নের নয়া পদক্ষেপ

করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মঙ্গলবার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি হন দু জন। সোমবার রাতে হুগলি জেলা থেকে এবং মঙ্গলবার বিকেলে পোর্ট ট্রাস্ট মারফত আইডি-তে এসে ভর্তি হয়েছেন ওই দু জন। দু জনেরই জ্বর এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে। প্রথমজন চিন থেকে ফিরেছেন জানুয়ারির মাঝামাঝি। সর্দি-কাশির সমস্যা দেখা দিলে স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে হাসপাতালে ভর্তি হতে আসেন তিনি। কোচি থেকে একটি ভেসেলে করে মঙ্গলবারই বজবজ স্থলবন্দরে এসে পৌঁছন দ্বিতীয় ব্যক্তি। বন্দরে স্বাস্থ্যপরীক্ষার সময় জ্বর এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা ধরা পড়ে তাঁর। স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশ মেনেই বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে  তাঁকে ভর্তি করা হয়। উল্লেখ্য়, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে, চিনে মৃতের সংখ্য়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে একশোরও বেশি৷ করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজারের বেশি৷ ইতিমধ্য়েই গবেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমশ চীনের  নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে৷