চলে গেলেন সিপিআই নেতা গুরুদাস দাশগুপ্ত। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। দীর্ঘদিন ধরে হৃদযন্ত্রজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন বামফ্রন্টের এই বর্ষীয়ান নেতা। আক্রান্ত হয়েছিলেন কিডনিজনিত সমস্যাতেও। বৃহস্পতিবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ। 

সংগঠনের পদে নেই শোভন,কার কাছে ফোঁটা নেবেন ব্য়ক্তিগত বিষয় বললেন দিলীপ

বামেদের মধ্যে সুবক্তা হিসাবে বরাবরই নাম ছিল তাঁর। দীর্ঘদিন লোকসভার সাংসদ ছিলেন তিনি। ১৯৮৫ সালে রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে প্রথম সংসদে প্রবেশ। ২০০৪ সালে পাঁশকুড়া নির্বাচনে জিতে লোকসভায় যান গুরুদাস দাশগুপ্ত। ২০০৯ সালে ঘাটাল থেকে ফের জিতে আসেন তিনি। তবে শুধু সাংসদ হিসাবে তাঁকে চেনেনি মানুষ। ২০০১ সাল থেকে বহু বছর অল ইন্ডিয়া ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। 

কাউন্সিলর শোভন থেকেও নেই, অতীনকে নোংরা দেখালেন রত্না

২জি স্পেকট্রাম দুর্নীতিতে কানিমোজিদের নাম জড়ানোয় ইউপিএ সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন গুরুদাসবাবু। ২জি কেলেঙ্কারি নিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং অবহিত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন এই সিপিআই সাংসদ। এখানেই থেমে থাকেনি গুরুদাস দাশগুপ্তের সংগ্রামী জীবন। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস সরকার থাকাকালীন বহুবার তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ১৯৬৫ সালের প্রতিরক্ষা আইন অনুযায়ী তাঁকে গ্রেফতার করতে উদ্যোত হয় তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। সেই সময় বহুবার গা ঢাকা দিয়ে থাকতে হয় তাঁকে। অবশেষে পর্দা পড়ল এই লড়াকু নেতার জীবনে।