Dilip Ghosh News: ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। এবার ভোটমুখি বাংলায় ভাতা  ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের। কী বলেছেন তিনি? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Dilip Ghosh News: ‘’এরাজ্যে আইন শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। দুস্কৃতীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সমাজবিরোধীরাই এখন তৃণমূলের নেতা।'' ভোটের আগে ফের বিস্ফোরক দাবি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। দলীয় কর্মসূচীতে বাঁকুড়ায় এসে বুধবার শহরের লাল বাজারে 'চা চক্রে' অংশ নেন তিনি। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘’দুস্কৃতীরা দাপিয়ে বেড়াবে, পুলিশে অভিযোগ জানালেও কাজ হবে না।'' নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে ততই এমনটা চলতে থাকবে বলেও জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ফের বিতর্কিত মন্তব্য দিলীপ ঘোষের:-

এছাড়াও সাংবাদিকদের অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন আরও বলেন যে, ‘’ভাতা এখন প্রথা হয়ে গিয়েছে। ভাতা নিয়ে মানুষ পাঁচ বছর অত্যাচার সহ্য করবে না। ভাতা নিলেও মানুষ বিজেপিকেই ভোট দেবে।'' দিল্লিতে সে কথা প্রমাণিত বলে তিনি দাবি করেন। এস.আই.আরের পর এরাজ্যে বুথের সংখ্যা কমবে। বাড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেও দিলীপ ঘোষ দাবি করেন। একই সঙ্গে আবাসনের বাসিন্দারা বাইরে ভোট দিতে যেতে চান না বলেই আবাসনগুলিতেই এবার ভোটকেন্দ্র হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

শুধু তাই নয়, এর আগেও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সীমান্ত সংক্রান্ত ইস্যুতে সরব হয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘’পশ্চিমবঙ্গের এই সরকার চাইনি বলে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার সীমানায় কোন বেড়া ছিল না।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রচেষ্টায় এই কাজ হয়েছে এখনো প্রায় ২০০ কিলোমিটার বাকি আছে।জল জঙ্গল নদী আছে তাই হয়নি।রাজনাথ সিং এসেছিলেন বারবার টাকাও পাঠানো হয়েছে তাও হয়নি।''

‘’রাজ্য সরকার জমি দেয়নি।মুখ্যমন্ত্রী বললেন আমরা জমি দিতে পারব না আপনারা কিনে নিন।যেখানে বেড়া নেই সেখানে অবৈধ কাজ চলে।আমি বহু জায়গায় গিয়ে বিএসএফের সঙ্গে চা খেয়েছি ঘুরে দেখেছি।দল দল জমির উপর দিয়ে পেট্রোলিং করাই সম্ভব হয় না।যেসব জটিল জায়গা আছে সেখানে এখনো অবৈধ কাজ হয়।বিএসএফের পক্ষে নয় এত ফোর্সও নেই।রাজ্য পুলিশের সহযোগিতা না পেলে এগুলো পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবুও মনে হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি রেজাল্ট পাব।''

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।