কারও পৌষ মাস তো কারও সর্বনাশ। করোনা আতঙ্কে জেরবার দেশবাসী। যদিও করোনায় লাভ দেখছে ডাকাতকূল। মধ্য়মগ্রামে ঢাকাতির ঘটনা দেখিয়ে দিল এভাবেও হানা দেওয়া যায়।

কোটি কোটি টাকা ঢুকছে অ্যাকাউন্টে, ৩০ টি গ্রুপের অ্যাডমিন 'জঙ্গি যুবতী'

করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে মাস্কের পিছনে দৌড়চ্ছে দেশ। কোন মাস্ক পরলে ভাইরাস রোখা যাবে তা নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ। আম জনতার সমস্যার সুযোগ নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যবসা। মাস্কের কালোবাজারি দেখে খোদ ব্যবস্থা নিতে বলেছেন মুখ্য়মন্ত্রী। এবার সেই মুখে মাস্ক দেখিয়েই বিকল্প রোজগারের পথে হাঁটছে ডাকাতরা। শুক্রবার ভরদুপুরে তেমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল মধ্য়মগ্রাম।

পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগ, রাজ্য়ে ধৃত 'লস্করের রিক্রটার'

এদিন মাস্ক পরে একেবারে ফিল্মি কায়দায় ডাকাতরা হানা দেয়  মধ্যমগ্রামের ব্রিজের কাছে এক দোকানে। দোকানি জানিয়েছেন, মুখে মাস্ক পরে থাকায় প্রথমটা ডাকাত বলে বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে পাঁচ জনের ডাকাত দল আগ্নেয়াস্ত্র বের করতেই বিপদ বুঝতে পারেন তাঁরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই শুরু হয়ে যায় লুঠপাট। বেগতিক  দেখে চিৎকার শুরু করে দেন দোকানের লোকজন। লুঠ থামাতে ডাকাতদের সঙ্গে শুরু হয় ধস্তাধস্তি । 

দ্বিতীয় করোনা আক্রান্তও শহরে ঘুরলেন বেপরোয়াভাবে, আতঙ্কে কাঁটা কলকাতাবাসী

প্রথমে আক্রমণাত্বক ভঙ্গিতে থাকলেও বেগতিক দেখে পালাতে যায় ডাকাত দল। সেই সময় ডাকাত দলের একজনের মাথা ফেটে যায়। পালাতে গিয়ে পরে যায় একটি আগ্নেয়াস্ত্র। ঘটনার পরও লোক জড় হয়ে যায় দোকানের সামনে। খবর দেওযা হয় থানায়। ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মীরা। ডাকাত দল পালিয়ে গেলেও সিসিটিভ ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার  সঙ্গে স্থানীয় দুষ্কৃতীরা জড়িত  রয়েছে কিনা তাও দেখা হচ্ছে। তবে করোনার সময় মাস্ক পরে ডাকাতির চেষ্টা অবাক করেছে দোকানের মালিককে।