ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের শক্তি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই বেড়েই চলেছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে যে, এই মুহূর্তে হারিকেন ঝড়ের সমশক্তি সম্পন্ন হয়ে উঠছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। ঘণ্টায় ১৩৫ কিমি বেগে আসতে পারে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। 

আরও পড়ুন, ঠান্ডা হাওয়ার সঙ্গে শহরে মুষলধারায় বৃষ্টি, ক্রমশই গতি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের

সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ৫০-৬০ কিমি বেগে  বৃষ্টি চলছে । এর জন্য় যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়েছে কলকাতা পুরসভা।  কলকাতা পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকেও সতর্ক করা রয়েছে। শহরে অনেক পুরনো বাড়ি রয়েছে। আশঙ্কার করা হচ্ছে সেগুলো ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। গাছ উপড়ে যাওয়ারও প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।  শুক্রবার রাতেই নবান্নে খোলা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম। মেয়র ও মুখ্যমন্ত্রী নিজে সেখানে উপস্থিত থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলে জানা গিয়েছে। 

আরও পড়ুন, কুহেলির মৃত্যুতে তিন মাস শাস্তি চিকিৎসকদের, ক্ষুব্ধ পরিবার বলছে হলিডে প্যাকেজ

শনিবার মধ্যরাতে  ভারত-বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থলভূমিতে আছড়ে পড়বে বুলবুল। এ রাজ্যের দিঘা, মন্দারমণি, শঙ্করপুর এবং বকখালিতে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠবে। দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য় শুক্রবার থেকেই যাবতীয় ব্য়বস্থা নেওয়া হয়েছে সাগরদ্বীপ, কাকদ্বীপ ও নামখানায়। সতর্ক করা হয়েছে  উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের। মাইকে সর্তকতামূলক ঘোষণা চলছে । জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কায় দ্রুত মত্স্যজীবীদের ঘরে ফেরানো হচ্ছে। সমুদ্রে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। বহু মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।