নতুন করে ভয় বাড়াচ্ছে ফণী। সৌজন্যে তার গতিপথ। এদিন সকাল নাগাদ ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়ে ফণী।  তখন তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৭০ কি.মি.।  অনুমান করা হয়েছিল এই ঝড় স্থলে যত এগোবে তত শক্তিক্ষয় হবে। ফলে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষয়ক্ষত্তিও হবে কম। কিন্তু বিধি বাম। আবহবিদরা বলছেন, ফণী এগোচ্ছে সমুদ্র ধরেই। ফলে তার শক্তি খুব বেশি কমবে না। পশ্চিমবঙ্গে কমপক্ষে ১০০ কিমি বেগে আছড়ে পড়বে ফণী। ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলিতে শুরু হয়ে গিয়েছে  বৃষ্টি।  মুখ্যমন্ত্রী নিজে অবস্থা সরেজমিনে তদারকির জন্যে পৌঁছেছন খড়্গপুরে। অনুমান আজ ভোররাতেই আছড়ে পড়তে পারে ফণী।

 ফণীর গতিপথ

ফণী এই মুহূর্তে দীঘার উপকূল থেকে ৩৬০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। প্রথমেই তার আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা দুই মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণায়।


দেখে নেওয়া যাক কলকাতায় ফণীর মোকাবিলায় কতটা তৈরি রাজ্য প্রশাসন

১ সমস্ত বিপজ্জনক বহুতল খালি করা হচ্ছ।

২ দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে এমন গাছের ডালপালা ভেঙে দেওয়া হচ্ছে।

৩ নিকাশি পাম্প প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

৪ ছোটদের পার্কগুলি বন্ধ রাখা হয়েছে।


রাজ্য জুড়ে জারি সতর্কতা

  • সারা রাজ্যে রাস্তা মেরামত, গাছ কাটা ইত্যাদি কাজের জন্যে পিডব্লিউডির কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
  • রাজ্য জুড়ে সরকারি স্কুল দুইদিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
  • উদ্ধার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্যে রয়েছে ১২ টি দুর্যোগ মোকাবিলা টিম।
  • দিঘা, কাকদ্বীপ ধামাখালির মতো উপকূলবর্তী জায়গাগুলিতে রয়েছে ছয়টি এনডিএফ টিম।
  • দিঘা থেকে পর্যটকদের কলকাতা ফেরত আনার জন্যে ৫০ টি বাস চালাচ্ছে এসবিএসটিসি।
  • মৎস্যজীবীদের সমুদ্রযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ইতিমধ্যে।
  • কলকাতায় খোলা হয়েছে ব্রিজ সংলগ্ন, বা রাস্তার ওপর বিপজ্জনক অবস্থায় থাকা বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং। 
  •  সেচ দফতর দেখছে লগগেট খোলা বন্ধের বিষয়টি।
  • লালাবাজারে খোলা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম।
  • নবান্ন থেকে ইতিমধ্যেই কন্ট্রোল রুম নম্বর দেওয়া হয়েছে। যাতে দুর্গত অঞ্চলের মানুশ যোগাযোগ করতে পারে। 
  • ​​​​​​​নবান্ন কন্ট্রোল রুম- ১০৭০ / ০৩৩২২৫৩৫১৮৫/ ০৩৩২২১৪৩৫২৬/০৩৩২২১৪৫৬৬৪