একুশে বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি। এ রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে সর্বদল বৈঠক করল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে একযোগে নির্ভুল ভোটার তালিকার প্রকাশের দাবি জানিয়েছে শাসক ও বিরোধী পক্ষ। নবান্নে চাপের মুখে সরকারি কর্মীরা কি আদৌ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবেন? প্রশ্ন তোলেন বিজেপি-এর প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন: 'নয়া ক্ষমতা' অধিকারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চিঠি মমতার, অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

চলতি বছরে মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে কলকাতা-সহ রাজ্যের বেশিরভাগ পুরসভারই। কিন্তু করোনা আতঙ্কের কারণে শেষবেলায় ভোট স্থগিত করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিধানসভা ভোটের ক্ষেত্রে কিন্তু তেমনটা হওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই বললেই চলে। ১৮ নভেম্বরে প্রকাশিত হতে চলেছে রাজ্যে খসড়া ভোটার তালিকা। তার আগে সোমবার রীতিমাফিক রাজ্যে স্বীকৃত সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন কমিশনের কর্তারা। বৈঠক হল কলকাতা, নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে। তৃণমূলের পক্ষে হাজির ছিলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিজেপি-এর জয়প্রকাশ মজুমদার ও সিপিএম-এর রবীন দেব।

আরও পড়ুন: 'ঠিকাদার থিংকট্যাংক কোম্পানি', নাম না করে টিম পিকে-কে কটাক্ষ তৃণমূল বিধায়কের

কী আলোচনা হল বৈঠকে? জানা গিয়েছে, কমিশনের কাছে নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছে সবদলই। তৃণমূলের তরফে আবার গঙ্গা-সহ অন্যন্য নদী ভাঙনের জেরে ঘরছাড়া নাম তালিকায় তোলার বিষয়টি মানবিকতার সঙ্গে বিবেচনা করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। সিপিএমের রবীন দেব যখন শুধুমাত্র স্থায়ী সরকারি কর্মীদেরই বুথস্তরে অফিসার পদে নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন, তখন আবার নবান্নে চাপে পড়ে সরকারি কর্মীরা কতটা নিরপেক্ষভাব কাজ করতে পারবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি-এর জয়প্রকাশ মজুমদার।